রাসূল সাঃ এর তায়েফ ঘটনাটি কি হিজরত নাকি সফর ছিল?
প্রশ্নঃ ১৭৩১৩৭. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, রাসূল সাঃ এর তায়েফ ঘটনাটি কি হিজরত নাকি সফর ছিলো।একটু রেফারেন্স দিলে ভালো হতো। একেক জায়গায় একেকটা লেখা
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর তায়েফ গমন ছিল দাওয়াতের উদ্দেশ্যে একটি সফর; মদিনায় হিজরতের মতো এটি হিজরত ছিল না। সীরাতের প্রসিদ্ধ বর্ণনা অনুযায়ী, নবুওয়াতের দশম বছরে মক্কায় ইসলামের দাওয়াতের পথে বাধা ও কষ্টের সম্মুখীন হয়ে তিনি তায়েফে গিয়েছিলেন, যাতে সেখানকার লোকদের ইসলামের দাওয়াত দিতে পারেন এবং তাদের সহযোগিতা লাভ করতে পারেন।
কেননা ইসলামি পরিভাষায় হিজরত বলতে সাধারণত দ্বীন রক্ষা ও আল্লাহর নির্দেশ পালনের উদ্দেশ্যে কোনো স্থান ত্যাগ করে অন্য স্থানে চলে যাওয়াকে বোঝানো হয়। রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর মক্কা থেকে মদিনায় গমন ছিল ঐতিহাসিক হিজরত; সেখানে তিনি মুসলিম সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন।
অন্যদিকে, তায়েফে গিয়ে তিনি সেখানকার লোকদের ইসলামের দাওয়াত দেন এবং প্রত্যাখ্যাত হয়ে আবার মক্কায় ফিরে আসেন। তাই ঘটনাটির প্রচলিত সীরাতি পরিচয় হলো ‘তায়েফ সফর’ বা ‘তায়েফ গমন’।
الهَجْرُ: ضِدُّ الوَصْلِ، وَالهِجْرَةُ: الخُرُوجُ مِنْ أَرْضٍ إِلَى أَرْضٍ.
(لسان العرب), খণ্ড ৫, পৃষ্ঠা ৪৬৭১
ذكر ابن دقيق العيد خمسة أنواع للهجرة: الأولى إلى الحبشة، والثانية من مكة إلى المدينة، والثالثة هجرة القبائل إلى النبي ﷺ لتعلم الشرائع ثم رجوعها إلى قومها، والرابعة هجرة من أسلم من أهل مكة ليلقى النبي ثم يعود، والخامسة هجر ما نهى الله عنه. 1 وقسّم ابن القيم الهجرة إلى هجرة بالجسم من بلد إلى بلد، وهجرة بالقلب إلى الله ورسوله. 7 ودار الإسلام كل بقعة تظهر فيها أحكام الإسلام، ودار الحرب كل بقعة تظهر فيها أحكام الكفر، والهجرة انتقال بينهما
الموسوعة الفقهية. وزارة الأوقاف والشئون الإسلامية، الكويت (كما تذكر صفحة الإصدار). , p.16432
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
মুফতী ও মুহাদ্দিস, জামিআ মুহাম্মাদিয়া আরাবিয়া, মোহাম্মদপুর
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন