প্রবন্ধ - (ফযীলতপূর্ণ মাস-দিবস-রজনী ও আমল)
মোট প্রবন্ধ - ৫৩ টি
হিজরীবর্ষের নবম মাসটির নাম রমাযানুল মুবারক। এ মাসের মর্যাদা ও মাহাত্ম্য বলার অপেক্ষা রাখে না। এ মাস
বছরের অন্যান্য মাসের মধ্যে মাহে রমযানের অবস্থান আলাদা। এ মাসের আছে এমন কিছু বিশিষ্টতা, যা অন্যান্য ম
আনন্দ ও সংযম মানবজীবনের দু’টি অপরিহার্য উপাদান। কিন্তু জীবনযাত্রার অন্য অনেক অনুষঙ্গের মতো এদু’টি বি
সিয়ামের মাস রমযান প্রতি বছরই ফিরে আসে আমাদের মাঝে। ফিরে আসে আমাদের মুক্তির বার্তা নিয়ে, গোনাহ মাফে
রমযানুল মুবারক। বছরের বার মাসের সর্বাধিক মর্যাদাশীল ও মহিমান্বিত মাস। এ মাসে আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কা
এক এক মুহূর্তের সমষ্টিই তো জীবন। প্রতিটি মুহূর্ত সময়ের একটি অংশ। সময়ের আলাদা কোনো অস্তিত্ব যেহেতু
মাহে রমাযান সমাগত। রহমতের পয়গাম নিয়ে রাব্বুল আলামীনের বার্তাবাহক বান্দার দুয়ারে হাজির। বান্দা যদি তা
রমযনের রোযা ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের অন্যতম। ঈমান , নামায ও যাকাতের পরই রোযার স্থান। রোযার আরবি শব্দ সও
বছরের অন্যতম ফযীলতপূর্ণ মাস হল রমযান। প্রত্যেক মুসলিমের জীবনে রমযানের গুরুত্ব অপরিসীম। রমযান হল পূণ্
প্রজন্ম পরম্পরায় চলে আসা হারামাইন শরীফাইনের আমল তারাবীর বিষয়ে প্রজন্ম পরম্পরায় চলে আসা মসজিদে হারাম
রোযার গুরুত্বপূর্ণ মাসাইল আলকাউসারে একাধিকবার লেখা হয়েছে। প্রথমবার লেখা হয়েছিল ফিকহ ও ফতোয়ার নির্
আল্লাহ তাআলার অপার মেহেরবানী, তিনি আমাদেরকে ১৪৪৪ হিজরীর শাবান-রমযানে উপনীত করেছেন আলহামদু লিল্লাহ। আ
শবে বরাত নিয়ে বর্তমানে বেশ বির্তকমণ্ডিত একটি অবস্থা বিরাজমান- সেটা কোনোভাবেই কাম্য নয়। কেউ বলতে চাচ্
মাসিক আলকাউসার-এর শাবান ১৪২৬ হি. (সেপ্টেম্বর ২০০৫ ঈ.) সংখ্যায় ‘বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ির কবলে শাবান ও শবে
হাদীস শরীফে শবে বরাতঃ শবে বরাত সম্পর্কেও আছে চিন্তাগত ও কর্মগত প্রান্তিকতা। সঠিক ও ভারসাম্যপূর্ণ কথা
হামদ ও সালাতের পর!
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,