বান্দাদের প্রতি আল্লাহর অন্যতম নেয়ামত কী? রিযিক। রিযিক বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। তবে রিযিক বলতে আমরা স
‘আতর’ শব্দটাতেই কেমন যেন আরাম আর সুখ জড়িয়ে আছে। আতর হলো ফুটফুটে শিশুর মতো! দেখলেই আদর করতে ইচ্ছে হয়।
রাতের আঁধারে নানা বিপদাপদ লুকিয়ে থাকে। ওঁৎ পেতে থাকে অজানিত ভয়। দুষ্টলোকের ভয়, দুষ্ট জ্বিনের ভয়, ক্ষ
পৃথিবীর যাবতীয় বস্তুই আল্লাহর ইবাদত করে। যে যার মতো করে। এটা আল্লাহ তা‘আলাই বলেছেন: وَإِنْ مِنْ شَيْ
জুমার দিন গোসল করার গুরুত্ব অপরিসীম। প্রচলিত ধর্মমতগুলোর মধ্যে, ইসলামই শারীরিক সূচিতার প্রতি সবিশেষ
এখন তো শরৎ কাল। কাশফুল। পথের দাবী শব্দটার সাথেও ‘শরৎ’-জড়িয়ে আছে। তবে আমরা আজ তেমন কোনও পথের দাবী নিয়
প্রাত্যহিক জীবনে আমরা অহরহ বিপদের সম্মুখীন হই। নাগরিক জীবনে বিপদের ঝুঁকি আগের তুলনায় শতগুণ বেশি। যে
সুন্নতী পাদুকা আবার কেমন? যে পাদুকা মানে জুতো সুন্নত তরীকায় পরা হয়, সেটাই সুন্নতী পাদুকা! ইসলামের সা
সুন্নত তরীকায় জীবন যাপন করার কথা মনে হলে, একটা ভুল চিন্তা কখনো কখনো মাথায় উদয় হয়: যেসব হাদীসে ফিকহী
অসুস্থ হলে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করা সুন্নত। যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা সুন্নত। বিপদ এলে আল্লাহর আশ্রয় নেয়
একটার পর একটা বিপদ আসতেই থাকবে। এটাই দুনিয়াবী যিন্দেগীর নিয়ম। এক শোক কাটিয়ে না উঠতেই আরেক শোক এসে হা
পেয়ারা নবী সা. চাইতেন, তার উম্মত সর্বদা মৃত্যুর কথা স্মরণ করুক। পরকালের কথা স্মরণে রাখুক। তাহলে তার
আমরা বর্তমানে ভীষণ আত্মকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছি। পাশের বাসা তো দূরের কথা, ঘরের মানুষের সাথেও নিয়মিত যোগায
কেয়ামত যতই কাছিয়ে আসছে, সমাজের রাতের ঘুম ততই পেছাচ্ছে, অবধারিতভাবে পরদিন ঘুম থেকে জাগাও পেছাচ্ছে। অফ
আমরা কেউই গুনাহ করার অবকাশমুক্ত নয়! আমরা যারা সাধারণ মানুষ, তাদের সবারই শত অনিচ্ছা সত্ত্বেও গুনাহ হয়
সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে সিজদায়ে শোকর দেয়া যাবে কি না, সেটা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে! তবে আনন্দজনক সংবাদ লাভ ক
আচ্ছা নবীজি সা.-এর সুন্নাত কি কঠিন হতে পারে? উঁহু মোটেও না। নবীজির সুন্নাত তো: ক: আসহাল: সহজতর। খ: আ
আমাদের জীবনে সুবিধা-অসুবিধা থাকেই। বিপদাপদে সবর করে থাকাই ঈমানের দাবি। কিন্তু কেউ কেউ বিপদে পড়লে হা-
ইস্তিখারা মানে ‘কল্যাণ চাওয়া’। সব সময়, সব বিষয়ে পুরোপুরি আত্মবিশ্বাস নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায়? ম
সালাত কী? সালাত হলো রব ও বান্দার মাঝে সেতুবন্ধন। সালাতে দাঁড়িয়ে আমরা মূলত আল্লাহর কাছেই হাজিরা দেই।