জাদু: আলামত ও রুকইয়া
সম্ভাব্য লক্ষণ: যদি কোনো ব্যক্তি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে জাদুর শিকার হয়ে থাকেন, তবে অনেক সময় সেই বিষয়টি ধীরে ধীরে অবনতির দিকে যেতে পারে। যেমন, বিয়ে বারবার ভেঙে যাওয়া বা না হওয়া, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে অকারণে তীব্র অশান্তি সৃষ্টি হওয়া, ব্যবসায় ধারাবাহিক লোকসান ইত্যাদি। এর পাশাপাশি বদনজরের কিছু লক্ষণও দেখা দিতে পারে। এছাড়াও কিছু সাধারণ লক্ষণ হতে পারে, যেমন, ১. বারবার ভয়ংকর বা অস্বাভাবিক দুঃস্বপ্ন দেখা (যেমন ঘন অন্ধকার বন-জঙ্গলে দৌড়ানো, হিংস্র প্রাণীর আক্রমণের শিকার হওয়া ইত্যাদি)। ২. বুক, পেট বা পিঠে অকারণ ব্যথা অনুভব করা। ৩. ঘন ঘন মাথাব্যথা হওয়া। ৪. একাকীত্ব বা অস্বস্তি অনুভব করা। ৫. ঠিকমতো ঘুম না হওয়া বা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটানো। দ্রষ্টব্য: উপরোক্ত লক্ষণগুলোর এক বা একাধিক থাকলেই জাদু বা বদনজর হয়েছে, এমন সিদ্ধান্ত দেওয়া সঠিক নয়। এগুলো বিভিন্ন শারীরিক বা মানসিক কারণেও হতে পারে। তাই প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণের পাশাপাশি শরয়ী রুকইয়াহ অব্যাহত রাখা উচিত। করণীয়: রুকইয়াহর জন্য নির্ধারিত আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করে রোগীর ওপর ফুঁ দিন। একইভাবে পানি, মধু এবং কালোজিরা বা জাইতুনের তেলের ওপরও ফুঁ দিন। এরপর রোগী নিয়মিত, ১. রুকইয়াহর আয়াতগুলোর অডিও শুনবেন। ২. নিজে তিলাওয়াত করার চেষ্টা করবেন। ৩. ফুঁ দেওয়া পানি পান করবেন এবং তা দিয়ে গোসল করবেন। ৪. ফুঁ দেওয়া তেল শরীরে ব্যবহার করবেন। ৫. ফুঁ দেওয়া মধু সেবন করবেন। তিলাওয়াতের সংখ্যা: রুকইয়াহর আয়াতগুলো তিনবার, সাতবার অথবা প্রয়োজন অনুযায়ী এর চেয়েও বেশি সংখ্যক বার পড়া যেতে পারে।
দু'আর বিষয়সমূহ
38টি বিষয় পাওয়া গেছে