আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৭৮৪
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

বর্তমানে ঔষধ সেবনের মাধ্যমে সাময়িকভাবে মাসিক স্রাব বন্ধ করে রাখা যায়। তাই অনেক মহিলা রমযান মাসের সবগুলো রোযা রাখার জন্য ঔষধ সেবনের মাধ্যমে স্রাব বন্ধ করে রাখে। বিশেষত হজ¦ চলাকালীন হায়েয আসলে নানা অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। তাই অধিকাংশ মহিলা হজে¦র সময়গুলোতে ঔষধ সেবনের মাধ্যমে স্রাব বন্ধ করে রাখে, যেন হজে¦র আমলগুলো কোনো প্রকার প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই সম্পাদন করা যায়। এজন্য হুযুরের কাছে জানতে চাচ্ছি-

ক. ঔষধ সেবনের মাধ্যমে এভাবে ঋতুস্রাব বন্ধ করে রাখা কি জায়েয আছে?

খ. এ অবস্থায় কি সে নামায, রোযা ও তাওয়াফ ইত্যাদি আদায় করতে পারবে? যদি পারে তাহলে পরবর্তীতে এগুলো কাযা করা লাগবে কি না?

দয়া করে বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৫ আগস্ট, ২০২১
২১ বার পড়া হয়েছে
৫৮৮০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, 1। হায়েজ সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য কোন কিতাব আছে কি? থাকলে কিতাবের নাম জানাবেন।
2। হায়েজ রং সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিবেন।
3। আমার হায়েজ চলাকালীন সময় দিনের প্রথম অংশে সামান্য রক্ত দেখা যায়, পরবর্তীতে সারাদিন ও রাতে দেখা যায় না।এখন কি আমি নিজেকে পবিত্র মনে করে নামায পড়ব নাকি পরবর্তী দিন রক্ত দেখা যায় কিনা সেটার জন্যে অপেক্ষায় থাকব?
4।3 দিন পর এরকম হলে সাদা স্রাব ও দেখা গেছে আবার জরায়ু সুষ্ক ও থাকেএখন পবিত্র মনে করে যদি নামায পড়ি বা শারীরিক সম্পর্ক করি পরে আবার রক্ত দেখা দেয় তাহলে কি গুনাহ হবে ? আর যদি অপবিত্র ধরে নামায না পড়ি পরদিন আর রক্ত দেখা যায় নি তাহলে কি গুনাহ হবে
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
৫ জুন, ২০২১
ঢাকা
২১ বার পড়া হয়েছে