আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

২১৪৩১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, শায়খ একটা বিষয় নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দে আছি,সেটা হলো ঘুমানোর আগে সূরা ইখলাস, নাস, ফালাক আর ফজরের,মাগরিবের পর সূরা ইখলাস, নাস, ফালাক পড়া নিয়ে। কখন তিনবার করে পড়তে হবে আর কখন একবার করে পরতে হবে? আর কখন পড়ার পর হাতে ফু দিয়ে সারা শরীর মাসেহ করা লাগবে?

আরেকটা প্রশ্ন হলো, ফজরের ফরয নামাজের পর যদি কেউ সূর্যোদয় পর্যন্ত যিকির আযকার করে তারপর দুই রাকআত ইশরাকের নামাজ আদায় করে তার জন্য উমরা নাকি পরিপূর্ণ হজ্বের সওয়াব পাবে এরকম একটা হাদিস শুনেছি। এখন প্রশ্ন হলো আমি যদি ফজরের নামাজের পর বাড়িতে এসে যিকির করি তাহলে কি সেই সওয়াব পাবো?
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতি সাইদুজ্জামান কাসেমি
২১ আগস্ট, ২০২২
করটিয়া ১৯০৩
১৩০ বার পড়া হয়েছে
২১৭২৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,



حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي الضُّحَى، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ خَمْسٌ قَدْ مَضَيْنَ الدُّخَانُ وَاللِّزَامُ وَالرُّومُ وَالْبَطْشَةُ وَالْقَمَرُ .

৬৮১১। কুতায়বা ইবনে সাঈদ (রাহঃ) ... মাসরুক (রাহঃ) সূত্রে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, পাঁচটি বিষয় অতীত হয়ে গিয়েছেঃ ধোয়া, অনিবারনীয় শাস্তি, রোম (এর পরাজয়), পাকড়াও এবং চাঁদ (দ্বিখণ্ডিত হওয়ার নিদর্শন)।


—সহীহ মুসলিম, ইফা নং ৬৮১১

তাহকীক: তাহকীক নিষ্প্রয়োজন



অনেক সহিহ হাদিস থেকে এই বিষয়টা স্পষ্ট যে কিয়ামতের পুর্বে জেসব বড় নিদর্শন ঘটবে তার মধ্যে অন্যতম হল ধোয়া বা আদ দুখান

কিন্তু ( ইসলামিক ফাউন্ডেশন ) সহিহ মুসলিম এর ৬৮০৯, ৬৮১০ ও ৬৮১১ নাম্বার হাদিস এর দির্ঘ আলচনা থেকে বুঝা জায় যে এই বিষয়টি নাকি ঘটে গেছে।

৬৮১১ নাম্বার হাদিসটি সংক্ষিপ্ত তাই এখানে

দিয়েছি

কিন্তু এর পূর্ববর্তী 2 টি হাদিস অনেক দির্ঘ তাই দিতে পারি নি। আপনি একটু দেখে

নিবেন দয়া করে।

আমার প্রশ্ন টা হল যে ধোঁয়ার ব্যাপারটা কি আসলেই হয়ে গেছে নাকি সামনে হবে?
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুসলিম বাংলা ইফতা বিভাগ
১৮ আগস্ট, ২০২২
কালীগঞ্জ
৪৯ বার পড়া হয়েছে
৭৯৮০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, মুহতারাম,
আসসালামু আলাইকুম।
ভালোবাসা নিবেন।
আমার প্রশ্ন হলো, একটি হাদিস শুনতে পেরেছি যে, নবীজি সাঃ একদিন অসুস্থ হয়ে যাবার পর সাহাবীদের ডেকে জিজ্ঞেস করলেন তোমরা কি আমার কাছে কোনো টাকা পয়সা পাও? বা আমি কি তোমাদের কখনো কোনো কষ্ট দিয়েছি? তখন এক সাহাবী বলেছিলেন আমি আপনার কাছে ৩ দিরহাম পাই, তখন নবীজি বললেন আমায় স্বরণ করিয়ে দাও সেটা কিভাবে নিয়ে ছিলাম?
তখন তিনি বললেন একদিন এক ভিক্ষুক এসে নবীজির কাছে ভিক্ষা চাইলেন তখন তার কাছে কোনো টাকা না থাকায় উক্ত সাহাবীর কাছ থেকে তিনি ধার করেছিলেন।
আরেকজন সাহাবী বললেন হে নবীজি আপনি আমায় আপনার ছরি ধারা আঘাত করেছিলেন। নবীজি কিভাবে জানতে চাইলে সাহাবী উত্তর দিলেন, একদিন এক যুদ্ধে নবীজি ঘোড়া বা উটের উপর বসা ছিলেন তখন তিনি হাতের চাবুক ঘোড়ায় ব্যবহার করতেই সাহাবীর গায়ে লেগে যায়, আর এর প্রতিশোধ স্বরুপ নবীজিকে আঘাত করতে চাইলেন, সাহাবীর উদ্দেশ্য ছিলো নবীজির খতমে নবুয়তের মোহর দেখা।
এই হাদীসটা কতটুকু সত্য?
দয়া করে কিতাবের রেফারেন্স সহ জানালে খুবই উপকৃত হতাম।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুসলিম বাংলা ইফতা বিভাগ
১৫ আগস্ট, ২০২১
Jhaugara
২৫ বার পড়া হয়েছে