আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১২৪৮২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমি যখন নবম শ্রেণিতে পড়ি এখজন শিক্ষক আমাকে পড়াত ২০০০ টাকার বিনিময় আমার মা বাবার সাথে চুক্তি করে কিন্তু ওই শিক্ষক আমার থেকে জোড় করে, নানা ধরনের কথা বলে যৌন হয়রানি করত। প্রতি মাসে ১০০০ টাকা বেশি নিত তবে শেষ এর তিন মাস আমি ওনাকে আর কোনো টাকা দেয়নি ওনার খারাপ আচরণ এর কারনে তবে উনি এখনো এই টাকা দাবি করে বলে দিতে নাহলে উনি দাবি রাখবে এটা সেটা,,, তবে উনি মা বাবার সাথে চুক্তি ২০০০ এর ই করেছিল,, এখন কি করনীয়?? আর উনাকে টাকা দিতে গেলে আবার উনার যৌন হয়রানি শিকার হতে হবে,, আর উনি কি এটি পাওনা হবে,,
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী মুহাম্মাদ রাশেদুল ইসলাম
৮ জানুয়ারি, ২০২২
Brahmanbaria
৪৭ বার পড়া হয়েছে
২৯১০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমরা লক্ষ্য করে আসছি যে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় এবং পল্লবী এলাকার প্রায় শরয়ী মসজিদে মকতবের রেকর্ড করা হচ্ছে। লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, শিক্ষকগণ বিনিময় নিয়েই ছেলে-মেয়েদেরকে মসজিদে বসে ধর্মীয় শিক্ষা দিচ্ছেন। ছাত্র-ছাত্রীরা সবকের সময়ের ভিতর মসজিদের পাখা, বাতি ইত্যাদি জিনিসপত্রও ব্যবহার করছে। শোরগোল তো আছেই। এভাবে দীর্ঘকাল ধরে মকতব চললেও স্বতন্ত্রভাবে মকতবের জন্য কোনো ঘর তৈরির ভাবনা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকদের মধ্যে নেই বললেই চলে। বলতে গেলে এভাবে মসজিদগুলো সাময়িকভাবে নয়; বরং এক একটা অনুমোদিত স্থায়ী মাদরাসায় পরিণত হয়েছে। অবশ্য মুসলমানদের ছেলেমেয়েকে ধর্মীয় শিক্ষাদীক্ষা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তাবোধ প্রত্যেকের ভিতর থাকা উচিত। সেটা কীভাবে কোথায় হবে সেটাও নিরুপণ করে নেওয়া উচিত। বর্ণিত বিষয় আমাদের জিজ্ঞাস্য, এভাবে বিনিময় নিয়ে মসজিদের ভিতর কিংবা বারান্দায় বসে ছেলেমেয়েদের পড়ানো বৈধ কি না? যদি বৈধ না হয় তবে বৈধতার কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত জানালে উপকৃত হব।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
১৭ বার পড়া হয়েছে