আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৭০৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের সমাজে সাধারণত ধার্মিক পরিবারগুলোতে পিতা-মাতা তাদের সন্তানকে ৭/৮ বছর বয়স থেকেই নামাযের প্রতি উৎসাহ দিতে শুরু করেন এবং এ ব্যাপারে তাদেরকে খুব সচেতন বলেই মনে হয়। কিন্তু রমযানের রোযার ব্যাপারে কখনো কখনো এর বিপরীত চিত্র পরিলক্ষিত হয়। এমনকি কেউ কেউ তো সন্তানের বয়স ১১/১২ হওয়া সত্ত্বেও তাকে রোযা থেকে বিরত রাখেন। এ ব্যাপারে তাদের কাছে জানতে চাওয়া হলে তারা বলেন, সন্তানের এখনও রোযার বয়স হয়নি।

এখন মুহতারামের নিকট জানার বিষয় হল, অপ্রাপ্তবয়স্ক বালকের রোযার ক্ষেত্রে শরীয়তের নির্দেশনা কী?

নামাযের ক্ষেত্রে যেমন বলা হয়েছে, সাত বছর বয়সে সন্তানকে নামাযের নির্দেশ দাও। আর দশ বছর বয়সে নামায ছেড়ে দিলে শাস্তি দাও। রোযার বিষয়টি কি এমন, নাকি পার্থক্য আছে?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
৮১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার এক মেয়ে আজ প্রায় ১৫-১৬ বছর যাবত অনেক বেশি অসুস্থ। এত বেশি অসুস্থ যে, তা বর্ণনা করে বুঝানো সম্ভব নয়। শুধু এতটুকু বলব যে, সে যে বেঁচে আছে এটা কেউ বিশ্বাসই করতে চায় না। মাঝখানে তার মৃত্যু প্রায় নিশ্চিত ছিল। অর্থাৎ তার বয়স যখন আঠারো ছিল মারাত্মক অসুস্থতার কারণে ওজন ১৭ তে নেমে আসে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস আল্লাহ তাকে হাজারো মানুষের দুআয় বাঁচিয়ে রেখেছেন। হুজুরের কাছে যে বিষয়ে জানতে চাচ্ছি তা হচ্ছে, ১৫-১৬-১৭-১৮ বয়সগুলোতে সে লাগাতার রোযা ভাঙে। এছাড়া পরবর্তীতে ডাক্তারদের অনুরোধে আরো কিছু রোযা ভাঙে। এখন তার বয়স ত্রিশ। কষ্ট করে রোযা নামায যথাযথভাবে পালন করে যাচ্ছে। সে নিজেকে সুস্থ মনে করে এ হিসেবে যে, আল্লাহ তাকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে এনে বৈবাহিক জীবন যাপনের তাওফীক দিয়েছেন এবং অকল্পনীয়ভাবে সন্তানের মাও বানিয়েছেন। কিন্তু বাস্তবে সে সুস্থ নয়। কারণ এমন এমন কিছু জটিল রোগ আছে, যা বাহ্যদৃষ্টিতে নিরাময় হবে বলে মনে হয় না। বরং প্রায়ই তার থেকে শাখাগত রোগ দেখা দিয়ে থাকে। তাই মাঝে মাঝে সে আমাকে বলে থাকে, বাবা! রোযাগুলোর কী হবে? সেগুলোর কি ফিদয়া দেওয়া যায় না? তাই সে কি উক্ত রোযাগুলোর ফিদয়া দিতে পারবে? জানালে উপকৃত হব।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০
৯৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

তারাবীর নামায সংক্রান্ত দুটো বিষয় জানতে চাচ্ছি-

১. তারাবীর নামাযে চার রাকাত পর পর মুসল্লীরা নিম্নোক্ত দুআ-

سُبْحَانَ ذِي الْمُلْكِ وَالْمَلَكُوتِ، سُبْحَانَ ذِي الْعِزّةِ وَالْعَظمَةِ ...

পড়ে থাকেন। এ সময় আসলে কী করণীয়? এ দুআ পড়বে নাকি ভিন্ন কোনো দুআ পড়বে? এ দুআ পড়ার অবকাশ আছে কি?

২. মাঝে মাঝে এমন হয় যে, দেরি করে আসার কারণে ইশার নামায শেষ করে তারাবীতে শরীক হতে হতে ৪/৬ রাকাত হয়ে যায়। ২০ রাকাত পড়ানোর পর ইমাম সাহেব বিতিরের জন্য দাঁড়িয়ে যান। তখন আমার কী করণীয়? তারাবীর বাকি রাকাতগুলো পড়তে গেলে বিতির ছুটে যাওয়ার আশংকা হয়। জানিয়ে বাধিত করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০
আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর | মুসলিম বাংলা