আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৮৭০২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আস্সালামুওয়ালাইকুম

নামাজে বসে কি বিধর্মী কারো জন্যে দুয়া করা পাপ? পড়েছিলাম ইহুদি এবং খ্রিস্টান ধর্মের মানুষের সাথে বন্ধুত্ব করতে না করা হয়েছে কেননা তারা সামনে বন্ধু পাছে শত্রু।কোনো হিন্দু ধর্মের কেউ যদি মারা যায় এবং তাকে কোনো কারনে যদি ঘৃনা করা হতো। তার মারা যাবার পর যদি নিজের মধ্যে খারাপ লাগা কাজ করে,তার পরিবারের অবস্থা দেখে খারাপ লাগে। তার পরিবারের এই খারাপ সময় কাটায় উঠার জন্যে এবং নিজের খারাপ লাগা থেকে যদি নামাজে দুয়া করি তাহলে কি সেটা কবিরা গুনাহ হবে? আর যদি গুনাহ হয়ে থাকে এবং কেউ যদি নামাজে দুয়া করে ফেলে তাহলে তার কি করনীয়?
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২১
ঢাকা
১৮ বার পড়া হয়েছে
১৫৭৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি ঢাকা থেকেই প্রথমেই মদীনা শরীফ যাই, সেখানে হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রওজা মুবারক যিয়ারতের উদ্দেশ্যে ২/৩ দিন অবস্থান করি। তারপর মক্কা শরীফে ওমরার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করি এবং আমি মদীনা থেকে অর্থাৎ মসজিদে নববী থেকে ওমরার নিয়তে ইহরাম বাঁধি। গাড়িতে উঠলে বাঙ্গালী ড্রাইভার আমাকে বলল, মদীনা থেকে ওমরার নিয়ত করলে হবে না। জুল হুলাইফা মসজিদ থেকে ওমরার নিয়ত করতে হবে। আমি তৎক্ষণাৎ বাংলাদেশের দুইজন বড় আলেমের সাথে ফোনে যোগাযোগ করে দুইজনের দুই রকম মতামত পাই। যেমন, একজন বললেন, যেহেতু মদীনা শরীফ ও মসজিদে নববী মীকাতের আগে তাই আপনার ওমরার নিয়ত করা ঠিক আছে। কিন্তু অন্যজন বললেন, যেহেতু হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনা শরীফ থেকে ওমরার ইহরাম বাঁধেন তাই আপনাকে জুল হুলাইফা মসজিদে এসেই ওমরার নিয়ত করতে হবে। এমতাবস্থায় কোনটি সঠিক? উল্লেখ্য, যুলহুলাইফা মসজিদে এসে পুনরায় অযু-গোসল না করে (ইহরাম বাঁধা এবং অযু আগেই ছিল) ওমরার নিয়ত করেছি। যেহেতু আসরের নামাযের জামাত মাসবুক হিসেবে শরিক হই। তাই ইহরামের নামায না পড়েই শুধু নিয়ত করে নিয়েছি। এটা কি ঠিক হয়েছে? বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব।


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৮ আগস্ট, ২০২১
৩৯ বার পড়া হয়েছে