আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

২৫৯২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের একটি সমিতি আছে। কিছুদিন পূর্বে এক লোক একটি গরু ক্রয়ের জন্য আমাদের সমিতির কাছ থেকে দশ হাজার টাকা ঋণ চাইলে সমিতির পরিচালক সাহেব তাকে বলেন যে, আমরা আপনাকে ঋণ দিতে পারব না। তবে আপনার সাথে শরীকানায় গরুটি কিনতে পারি। পরে আমাদের অংশটা আপনার কাছে বাকিতে বিক্রি করে দিব। তবে এখনই বিক্রির চুক্তি নয় কেবল ওয়াদা করছি। এতে ঐ লোক রাজি হয়ে গেল। ফলে গরুটি শরীকানায় ক্রয় করে কিছুদিন পর আমাদের অংশটা কিছু লাভে ঐ লোকের কাছে বিক্রি করে দেই। জানার বিষয় হল, উল্লেখিত অবস্থায় আমাদের কারবারটি সহীহ হয়েছে কি?


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০
৯৮৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

ছ’মাস আগে আমি একজন কৃষক থেকে ৬০০/- টাকা দরে ১০ মণ ইরি ধান ক্রয় করি। চুক্তিটি এমন ছিল, আমি তাকে নগদ ৬০০০/- টাকা দিবো। ছ’মাস পর সে দশ মণ ধান দিবে। কিন্তু এখন ধান দেওয়ার সময় সে আমাকে আট মণ ধান দিয়ে বাকি দু’মণের টাকা ফেরত দিতে চাচ্ছে। এবং বলছে, এবার ধান কম হয়েছে। আমি তাকে বললাম, দু’মণ ধান কম এ শর্তে নিতে পারি, যদি সে বাকি  ধানগুলো সেদ্ধ করে শুকিয়ে দেয়। এবং এর বিনিময় হিসেবে বাকি দু’মণের টাকা সে রেখে দিবে। আমাকে ফেরত দিতে হবে না। সে এতে সম্মত হয়।

প্রশ্ন হল, ধান সেদ্ধ করে দেওয়ার এই চুক্তিটা বৈধ হয়েছে কি? হুযুরের কাছে জানতে চাই।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০
৯৪৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে কুরবানীর ঈদের সময় চামড়ার ব্যবসা করি। ব্যবসার প্রক্রিয়াটা এই হয় যে, আমরা প্রথমে ট্যানারিতে যোগাযোগ করে চামড়ার একটা মূল্য নির্ধারণ করি। এরপর ঈদের এক-দুদিন আগ থেকে ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত যারা কুরবানী করবে তাদের বাড়ি বাড়ি যাই। তাদের সাথে চামড়া ক্রয়ের চুক্তি করে আমাদের নির্ধারণকৃত মূল্য তাদের হাতে অগ্রিম দিয়ে আসি। এতে দেখা যায়, অধিকাংশ চামড়াই আমরা কিনতে পারি। কেননা এভাবে অগ্রিম না কিনলে অন্য গ্রুপ এসে কিনে ফেলার আশংকা থাকে।

অতপর ঈদের দিন সকালে কুরবানী হওয়ার পর চামড়া ছিলা হলে আমরা সেগুলো ট্যানারিতে নিয়ে বিক্রি করি। জানতে চাচ্ছি, আমাদের উক্ত ব্যবসা শরীয়তসম্মত কি না? কোনো সমস্যা থাকলে তা সমাধানের উপায়সহ জানালে উপকৃত হব।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০
৯০২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের ওয়ালটনের শো-রুম আছে। আমরা বিভিন্ন মেয়াদে কিস্তিতে পণ্য বিক্রি করি। কিস্তির মেয়াদের হিসাবে পণ্যের দাম বিভিন্ন রকম হয়। যেমন : কেউ ৩ মাসের কিস্তিতে ফ্রিজ কিনলে মূল্য ৩০০০০ টাকা। আবার ঐ পণ্যটিই ১২ মাসের কিস্তিতে কিনলে এর দাম ৩২,৫০০ টাকা। আরেকটি নিয়ম হল, কেউ পণ্য কেনার সময় ৬ মাসের  কিস্তির চুক্তি করার পর মাঝে যদি কোনো কিস্তি ফেল করে, তাহলে আমরা তাকে ডেকে বাধ্য করি, যাতে সে এরচে’ বেশি সময়ের কিস্তি গ্রহণ করে। তখন সে বাধ্য হয়েই ১২ মাসের কিস্তি গ্রহণ করে, ফলে সে ৩০,০০০ টাকার স্থলে ৩২৫০০ টাকা পরিশোধ করে। অতীতে ২-৩ জনের সাথে এমনটি হয়েছে। কিন্তু কিছুদিন আগে এক হুযুর বললেন, উক্ত পদ্ধতি নাজায়েয। এখন মাননীয় মুফতী সাহেবের নিকট আমার প্রশ্ন হল :

ক. এভাবে কিস্তির মেয়াদের কম-বেশির ভিত্তিতে একটি পণ্য ভিন্ন ভিন্ন দামে বিক্রি করা বৈধ কি না?

খ. উল্লেখিত কিস্তি ফেইলের ক্ষেত্রে আমাদের বাস্তবায়িত পদ্ধতিটি শরীয়তের দৃষ্টিতে বৈধ কি না?

গ. যদি বৈধ না হয়, তাহলে উক্ত পদ্ধতিতে আমরা যেই দুই-তিনজন থেকে অতিরিক্ত টাকা নিয়েছি, তার কী হুকুম?

বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব। আল্লাহ তাআলা আপনাকে উত্তম বিনিময় দান করুনÑ আমীন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০
৭৫৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার এক বন্ধুর দুইটি পিকআপ আছে। আর আমার একটি বড় ট্রাক আছে। বর্তমানে আমার ব্যবসায়িক কাজের জন্য ছোট পিকআপের প্রয়োজন বেশি। বিভিন্ন জায়গায় মাল পাঠাতে ছোট পিকআপ বেশি সুবিধাজনক। আর আমার উক্ত বন্ধু বড় ট্রাক দিয়েও ভালো ইনকাম করতে পারবে। তাই আমি মাসিক হিসাবে আমার ট্রাক তাকে ভাড়া দিয়ে বিনিময়ে তার পিকআপ দুটি ভাড়ায় নিতে চাচ্ছি। অর্থাৎ যার যার মালিকানা বহাল থাকবে। তবে আমার ট্রাক চালিয়ে যা ইনকাম হবে তা সে নেবে। বিনিময়ে তার পিকআপ দুটি আমি ব্যবহার করব। শরীয়তের দৃষ্টিতে এভাবে চুক্তি করার বিধান কী?
 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০
৮৬৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি একজন অটো চালক। গ্রামে ভাড়ায় অটো চালাই। ভাড়া বাবদ মালিককে ৩০০ টাকা করে দৈনিক দিতে হয়। গরমের মৌসুমে আমাদের এলাকায় ঘন ঘন বিদ্যুত চলে যায়। যার কারণে অটোতে ভালভাবে চার্জ হয় না। তাই গ্রামের অটোচালকরা সকলে মিলে জেনারেটরের মাধ্যমে চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে।

জেনারেটরের মাধ্যমে চার্জ দেওয়ার কারণে বিদ্যুতের তুলনায় অনেক বেশি খরচ হয়। এতে মালিকের ভাড়ার টাকা ও চার্জ-বিল পরিশোধের পর কামাই বলতে তেমন কিছু থাকে না।

তাই আমি আমার মালিকের সাথে এভাবে চুক্তি করেছি যে, জেনারেটরের চার্জ-বিল বাদ দিয়ে সারাদিনের কামাইয়ের যা অবশিষ্ট থাকবে তা আমরা সমান দুই ভাগে বণ্টন করে নিব। আমার প্রতি মালিকের আস্থা থাকায় তিনি এতে সম্মত হয়েছেন।

হুযুরের নিকট জানতে চাচ্ছি উক্ত পদ্ধতিটি কি বৈধ হবে?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০
৭৮৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার এক আত্মীয়ের একটি রাইসমিল আছে। তাতে নতুন কিছু মেশিনারিজ কেনার জন্য ১,৩০,০০০/- টাকার প্রয়োজন। সে আমার সাথে এভাবে চুক্তি করতে চাচ্ছে যে, আমি তাকে ঐ টাকা দিলে সে প্রতি মাসে আমাকে ১৭০০/- টাকা লাভ দিবে। এর পর বাকি লাভ যা থাকবে ছয়মাস পর পর হিসাব করে বণ্টন হবে। তখন লাভের পরিমাণ দেখে ইনসাফের ভিত্তিতে শতকরা হারে একটি পরিমাণ নির্ধারণ করে বাকি লাভ নেওয়া হবে।

একজন বললেন, এভাবে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট আকারে লাভ নেওয়া হলে বাকি বিনিয়োগটি জায়েয হবে না। কিন্তু আমার আত্মীয়ের কথা হল প্রতি মাসে একটি অংক নিলেও ৬ মাস পর বাকি লাভ যেহেতু শতকরা হারে বণ্টিত হচ্ছে তাই কোনো সমস্যা নেই।

মুফতী সাহেবের নিকট জানতে চাচ্ছি, উপরে বর্ণিত নিয়মে কি আমি  বিনিয়োগটি করতে পারব?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৩ অক্টোবর, ২০২০
আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর | মুসলিম বাংলা