আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১৮০৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

হজ্ব করার মতো কোনো আর্থিক সামর্থ্য আমার ছিল না। কিন্তু মনে হজ্ব করার খুব আগ্রহ ছিল। এরপর মাওলানা আবু তাহের মিসবাহ দামাত বারাকাতুহুম-এর হজ্ব সফরনামা ‘‘বাইতুল্লাহর মুসাফির’’ পড়ে আগ্রহ আরো বেড়ে যায়। ফলে ২০১০ সালে আমার এক বন্ধুর সাথে হজ্বে যাই। আমার হজ্বের যাবতীয় খরচ সে বহন করেছে এ শর্তে যে, পরবর্তীতে সময়-সুযোগমতো তাকে আমি ঐ টাকা পরিশোধ করে দিব। হজ্ব করে আসার পর দুই বছরের মধ্যে আমি তাকে ঐ টাকা পরিশোধ করে দিয়েছি। এখন আমার কাছে অনেক টাকা পয়সা আছে। এ বছর আমি আবার হজ্ব করতে চাচ্ছি। তাই হুযুরের নিকট জানতে চাই যে, আমার অস্বচ্ছল অবস্থায় আদায়কৃত হজ্ব কি ফরয হিসেবে আদায় হয়েছে? আর এ বছর আমি কোন হজ্বের নিয়ত করব, ফরয নাকি নফল হজ্বের? দয়া করে জানালে কৃতজ্ঞ হব।


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৪৫ বার পড়া হয়েছে
২০৬৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

কিছুদিন আগে আমার পিতা মারা যান। তিনি হজ্ব করেননি। ইন্তেকালের আগে তিনি বদলি হজ্বের অসিয়ত করে গেছেন। কিন্তু আমার পিতার রেখে যাওয়া সম্পদের এক তৃতীয়াংশ (যার মূল্য প্রায় দুই লক্ষ টাকা) দ্বারা বর্তমানে হজ্ব করানো সম্ভব নয়। আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব হুজুর বলেছেন, আমরা যদি তাকে দুই লক্ষ টাকা দেই তাহলে তিনি নিজের পক্ষ থেকে বাকি ‘আশি হাজার’ টাকা দিয়ে বাবার বদলি হজ্ব আদায় করবেন। প্রশ্ন হল, এভাবে বদলি হজ্ব আদায় করলে আমার পিতার ফরয হজ্ব আদায় হবে কি? জানিয়ে বাধিত করবেন।

 


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৬১ বার পড়া হয়েছে
২৫৫০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের শহরে একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচীতে ঢাকা থেকে আগত জনৈক ব্যক্তি মডার্ণ পাবলিশার্স, ২৩০ নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫ কর্তৃক প্রকাশিত ও ছবির সাহায্যে পবিত্র হজ্বের দর্শণীয় স্থানসমূহ বিষয়ক মুহাম্মাদ খলিলুর রহমান মাদানী কর্তৃক প্রণীত একটি পুস্তক হজ্বব্রত পালনেচ্ছুক প্রশিক্ষণরত ব্যক্তিদের মধ্যে বিতরণ করেন। উক্ত পুস্তকের ৬ নং পৃষ্ঠায় বর্ণিত হয়েছে যে, ‘‘প্রথম চার চক্করে রমল বা দৌড় দিয়ে জোরে হাঁটতে হবে। বাকি তিন চক্করে স্বাভাবিকভাবে হাটতে হবে। ইহরামের কাপড় স্বাভাবিকভাবে পরা থাকবে।’’ অথচ হজ্ব বিষয়ক বিভিন্ন

পুস্তক-পুস্তিকায় যে তাওয়াফের পর সাঈ আছে তার প্রথম তিন চক্করে রমলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে এবং ইজতিবা প্রথম চক্কর থেকে শেষ চক্কর পর্যন্ত বহাল থাকা সুন্নতে মুআক্কাদা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আর এভাবেই ৩ চক্করে রমল ও চার চক্করে স্বাভাবিক অবস্থায় ইজতিবাসহ তাওয়াফ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এখন আমার প্রশ্ন হল, তাওয়াফের প্রথম তিন চক্করে রমল করতে হবে, নাকি চার চক্করে রমল করতে হবে? আর ইজতিবা প্রথম  চক্কর থেকে শেষ চক্কর পর্যন্ত থাকবে, নাকি যে চক্করগুলোতে রমল করা হবে শুধু সেগুলোতেই ইজতিবা করা হবে? সঠিক মাসআলা জানিয়ে বাধিত করবেন।


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
২০ বার পড়া হয়েছে
আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর | মুসলিম বাংলা