বইয়ের প্রকাশকের অনুমতি ছাড়া ফটোকপি করে বিক্রি করা ও ডাউনলোড করে পড়ার বিধান
প্রশ্নঃ ১৭২৯৩৫. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আসসালামুআলাইকুম। পশ্চিমা জনপ্রিয় ইংরেজি লেখকদের বই নীলক্ষেত ও দারাজে কম দামে অনুমতি ছাড়া ছাপিয়ে বিক্রি করা হয়। অরিজিনাল বই সহজলভ্য না হওয়ায় ও দাম বেশি হওয়ায় শিক্ষার্থীরা এগুলো কেনেন। এভাবে বই কেনা ও ব্যক্তিগত পড়ার জন্য অনুমতিহীন ওয়েবসাইট থেকে বই ডাউনলোড করে পড়া কি জায়েজ?
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
পশ্চিমা জনপ্রিয় ইংরেজি লেখকদের বই নীলক্ষেত বা দারাজে অনুমতি ছাড়া কম দামে ছাপিয়ে বিক্রি করা, কিংবা অনুমতিহীন ওয়েবসাইট থেকে বই ডাউনলোড করে ব্যক্তিগতভাবে পড়া, এগুলো বর্তমান শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপকভাবে প্রচলিত। মূল বই সহজলভ্য না হওয়া এবং দাম বেশি হওয়ার কারণে অনেকেই এই পথ বেছে নেন। এটি বর্তমান যুগের একটি আধুনিক ফিকহী মাসআলা। তাই এই মাসআলা দুই ভাগে বিভক্ত হবে।
১. লেখক বা প্রকাশকের অনুমতি ছাড়া বাণিজ্যিকভাবে বই পুনঃমুদ্রণ করা, পাইরেটেড কপি তৈরি করা বা তা বিক্রি করে লাভবান হওয়া নাজায়েজ। এটি অন্যের শ্রম, মেধা ও আর্থিক অধিকার হরণ করার অন্তর্ভুক্ত।
২. যদি মূল কপি স্থানীয় বাজারে একেবারেই সহজলভ্য না হয় অথবা তার দাম একজন সাধারণ শিক্ষার্থীর আর্থিক সামর্থ্যের বাইরে থাকে, শিক্ষার্থী তা কোনো প্রকার বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে (যেমন: বিক্রি করা বা মুনাফা অর্জনের জন্য) ব্যবহার না করে কেবল ব্যক্তিগত পড়াশোনা ও জ্ঞানার্জনের উদ্দেশ্যেই ক্রয় বা ডাউনলোড করে, তাহলে তা ব্যবহার করার অবকাশ আছে।
صحيح البخاري (3/ 92)
قال النبي صلى الله عليه وسلم: «المسلمون عند شروطهم»
سنن ابن ماجه (2/ 784)
عن ابن عباس، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا ضرر ولا ضرار»
فقه البيوع للمفتي تقي العثماني ٢٨٦/١
وبالجملة، فالراجح عندنا، والله سبحانه أعلم، أن حق الابتكار والتأليف حق معتبر شرعاً، فلا يجوز لأحد أن يتصرف في هذا الحق بدون إذن من المبتكر أو المؤلف، وينطبق ذلك على حقوق برامج الكمبيوتر أيضاً. ولكن التعدي على هذا الحق إنما يتصور إذا أنتج أحد مثل ذلك المنتج أو الكتاب أو البرنامج بشكل واسع للتجارة فيه، أو بقصد الاسترياح. أما إذا صوّره لاستعماله الشخصي، أو يهبه إلى بعض أصدقائه بدون عوض، فإن ذلك ليس من التعدى على حق الابتكار. فما توغل فيه نُشُرة الكتب ومنتجو برامج الكمبيوتر من منع الناس من تصوير الكتاب، أو قرص الكمبيوتر، أو جزء منه لاستفادة شخصية، وليس للتجارة، فإنه لامبرر له أصلا. وهذا ما ينطبق عليه أن مالك الكتاب أو القرص يملك ما شاء فيه من التصرفات للاستفادة الشخصية، وليس للمنتج أن يمنعه منها. وإنما الممنوع أن ينتج مثلها بقصد الاسترباح والتجارة فيه بدون إذن منه. والله سبحانه وتعالى أعلم.
کتاب کا نام: فتاوی رحیمیہ جلد 9
صفحہ نمبر: 220
عبارت:
(الجواب)اقول باﷲ التوفیق ۔ یہ اجتہادی اور قیاسی مسئلہ ہے ۔ قرون اولیٰ میں فن طباعت کا وجود نہ تھا اور نہ طباعت کے ساتھ مالی منفعت کے متعلق ہونے کا تصور تھا۔لہذا اس کے بارے میں صراحۃً کوئی حکم مذکور نہیں ہے ۔ لیکن اگر حق طباعت کو غیر متقوم اور مباح الا صل مان لیاجائے تب بھی ایسی کتاب جس کے ساتھ منصب کی مالی منفعت یا تجارتی منفاد وابستہ ہو ۔ تو ا س کو ہر کس و ناکس کا بلا اجازت مصنف ؤطبع کرنا جائز نہیں ۔ کیونکہ بعض افعال ایسے ہیں کہ اصل کے لحاظ سے مباح ہوتے ہیں ۔ لیکن اگر ان کے کرنے میں دوسرے شخص کی حق تلفی اور ضرر کا امکان ہو تو ان کی اباحت ساقط ہوجاتی ہے ۔ اور وہ ممنوع شرعی بن جاتے ہیں۔۔۔۔۔
کسی مصنف کی کتاب جو اس کی شب وروز کی شدید محنت کے بعد معرض وجود میں آتی ہے اس کو طبع کرنے کا سب سے پہلا حق خود مصنف کو حاصل ہے ۔ اور اس کا مقصد علم کی تبلیغ واشاعت کے ساتھ ہی مصنف کے لئے مالی منفعت کا حصول بھی ہے ۔ تو جب تک مصنف کا حق ا س کے ساتھ وابستہ ہے ۔ دوسروں کا حق اس کے ساتھ متعلق نہ ہوگا ۔ ایسے تاجران کتب جو مصنف کی طرف سے کتاب کی معتدبہ تعداد کی اشاعت کے باوجود اس کی کتاب کو بلااجازت چھاپ لیتے ہیں وہ ا س کتاب کی مقبولیت سے مالی اور تجارتی فائدہ حاصل کرنے کے لئے ایسا کرتے ہیں ۔ اور ان کا یہ عذر نا مسموع ہے کہ انہوں نے علم کی اشاعت کے لئے ایسا کیا ہے ۔ کیونکہ اگر ان کے دل میں علم کی وقعت اور اشاعت علم کا جذبہ ہوتاتو وہ بڑی تعداد میں مصنف سے کتاب خرید کر غریبوں میں مفت تقسیم کرتے اور ثواب حاصل کرتے
کتاب کا نام: کتاب النوازل جلد 11
صفحہ نمبر: 53
عبارت:
جملہ حقوق محفوظ شدہ کتابوں کی فوٹو کاپی کرانا
سوال(۱۶۱):- کیا فرماتے ہیں علماء دین ومفتیانِ شرع متین مسئلہ ذیل کے بارے میں کہ: یہ تو معلوم ہے کہ جملہ حقوق محفوظ شدہ کتب کی طباعت محفوظ کرنے والے کی اجازت کے بغیر جائز نہیں ہے، تو کیا اس کتاب کی فوٹو اسٹیٹ کرنا بھی جائز نہ ہوگا، اگر جائز ہے تو طباعت اور فوٹو اسٹیٹ میں کیا فرق ہے؟ ان دونوں کی حقیقت کے بارے میں مطلع فرمائیں؟
باسمہٖ سبحانہ تعالیٰ
الجواب وباللّٰہ التوفیق:حقوق محفوظ والی کتاب کا فوٹو اسٹیٹ کرانا یا اپنی ضرورت کے لئے کسی خرید کردہ کیسٹ کی نقل کرانا شرعاً یا اخلاقاً یا قانوناً کسی بھی طرح ممنوع نہیں ہے؛ کیوںکہ اس سے حقوق محفوظ کرانے والے کو کوئی ضرر نہیں پہنچتا، ضرر اس وقت پہنچتا ہے جب کہ کتاب کو باقاعدہ طبع کراکے یا کیسٹ کو سیکڑوں کی تعداد میں نقل کراکے بازار میں فروخت کیا جائے۔
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
খতীব, বাইতুল মামুর জামে মসজিদ, মিরাশপাড়া গাজীপুর
রেফারেন্স উত্তর :
প্রশ্নঃ ৩৪৬১. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য, বিশেষ করে ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেলে শিক্ষাদানের জন্য অনেক বিদেশি লেখকদের বই পড়ানো হয়। এই সকল বই এর দাম তুলনামূলক কিছুটা বেশি হয় অনেক ক্ষেত্রে কেনা অনেক কষ্টকর হয়ে যায়। এই সকল বই এর গ্রন্থসত্ব সংরক্ষিত থাকে এবং বিনা অনুমতিতে এগুলো কপি করে বিতরণ( ডিজিটাল pdf, ফটোকপি ইত্যাদি ) নিষিদ্ধ থাকে। বাংলাদেশে কপিরাইট আইনের তেমন প্রয়োগ না থাকায়, এ সকল বই অহরহ বিভিন্ন দোকানে ফটোকপি করে অনেক কম দামে পাইরেটেড কপি বিক্রি করে। দাম কম হওয়ার শিক্ষার্থীরাও সাধারণত এই ফটোকপি বই গুলো কিনে থাকে। ফলে বইয়ের প্রকাশক,লেখকগণ এই বিক্রির লাভ থেকে বঞ্চিত হন। একসময় কিছু ব্যবসায়ী এ বই গুলো আমদানি করে নিয়ে আসতো কিন্তু পাইরেসির হিড়িকে আসল বই এর ক্রেতা খুব কম হয়ে যাওয়ায় আমদানি করাও অনেক কমে যায়। ফলে অনেক আসল বই দেশের বাজারে অনেক খুঁজেও পাওয়া যায় না। তবে অনেক ক্ষেত্রে কিছু আন্তর্জাতিক অনলাইন মার্কেটপ্লেসে এগুলোর অনুমোদিত pdf কেনা যায়, কিন্তু অনেকের কাছে সেখানে মূল্য পরিশোধের মাধ্যম ( যেমন- Debit card, Master কার্ড) এগূলো থাকে না। এমতাবস্থায়, আসল বই না পাওয়া গেলে পাইরেটেড কপি পড়া জায়েজ হবে কি? এখন অনুমোদনহীন কপি পড়ে পরর্বতীতে যদি ওই বই এর আসল কপি কেনার সূযোগ, সামর্থ্য আসে তখন ওটার প্রয়োজন না থাকলেও আসল কপি কিনে লেখকের পাওনা পরিশোধ করতে হবে কিনা?এক্ষেত্রে লেখক যদি নন-মুসলিন হন ও নন-মুসলিম দেশের নাগরিক হন এক্ষেত্রে অনেকে বলেন তাদের জান-মালের নিরাপত্তা শরীয়ত দেয় না। তাই তাদের অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা জায়েজ। কিন্তু এখানে আমার মনে হয় আমরা তো তাদের সাথে জিহাদ করছি না আর আমাদের দেশেও ইসলামী শাসনব্যবস্থা কায়েম নেই। আর এই সকল দেশের সাথে আমাদের দেশ জাতিসংঘের মত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে চুক্তিবদ্ধ। আর তাদের সাথে আমরা নিয়মিত ব্যবসায়ীক লেনদেন করছি। তাদের কাছে পণ্য রপ্তানি করছি, তাদের থেকে আমদানীকৃত পণ্য টাকা দিয়ে কিনে ব্যবহার করছি। এক্ষেত্রে তাদের হারবী কাফির বলা যাবে কিনা? এ ধরণের কাফিরদের ব্যাপারে আমাদের শরীয়ত কি ধরণের নির্দেশনা দেয় তা পরিষ্কার করলে উপকৃত হব।। জাযাকাল্লাহ্ খাইর।
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
যেসব লেখক ও প্রকাশক বইয়ের সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত রাখে, তাদের বইগুলো ব্যবসার উদ্দেশ্যে কপি করা জায়েয নয়। ব্যক্তিগত ভাবে পড়ার প্রয়োজনে বৈধতার ব্যাপারে একদল ওলামায়ে কেরাম মত দিয়েছেন। মাসআলা জানার পূর্বে যেসব লেখকদের নকল বই কেনা হয়েছে। সুযোগ হলে তাদের ক্ষতিপূরণ দিয়ে দিবে। তবে যে সমস্ত লেখক ও প্রকাশক এমন দেশের বাসিন্দা, যাদের সঙ্গে মুসলিমদের যুদ্ধ চলছে। তাদের ক্ষতিপূরণ দেয়া যাবে না এবং তাদের বইগুলো নকল করে বাজারে ছাড়তে ও ক্রয় করতে অসুবিধে নেই।
উল্লেখ্য: জাতিসংঘের সদস্য অথবা আমাদের সরকারের সঙ্গে তাদের দেশের ব্যবসায়িক চুক্তি এসব বিষয় এখানে গৌণ।
عَنْ عُمَارَةَ بْنِ حَارِثَةَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ يَثْرِبِيٍّ ، قَالَ : خَطَبَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ : " أَلَا وَلَا يَحِلُّ لِامْرِئٍ مِنْ مَالِ أَخِيهِ شَيْءٌ إِلَّا بِطِيبِ نَفْسٍ مِنْهُ ".
মুসনাদ আহমাদ ২১০৮২
أَسْمَرَ بْنِ مُضَرِّسٍ قَالَ : أَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَبَايَعْتُهُ، فَقَالَ : " مَنْ سَبَقَ إِلَى مَاءٍ لَمْ يَسْبِقْهُ إِلَيْهِ مُسْلِمٌ فَهُوَ لَهُ ". قَالَ : فَخَرَجَ النَّاسُ يَتَعَادَوْنَ يَتَخَاطُّونَ.
সুনানু আবী দাউদ ৩০৭১
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " الصُّلْحُ جَائِزٌ بَيْنَ الْمُسْلِمِينَ ". زَادَ أَحْمَدُ : " إِلَّا صُلْحًا أَحَلَّ حَرَامًا أَوْ حَرَّمَ حَلَالًا ". وَزَادَ سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ : وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " الْمُسْلِمُونَ عَلَى شُرُوطِهِمْ ".
সুনানু আবী দাউদ ৩৫৯৪
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
প্রশ্নঃ ৪৩৬১৭. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া অবস্থায় প্রায়শই ইংরেজি বই পড়তে হয়।এসব ইংরেজি বই সরাসরি আসল কপিগুলো পাওয়া যায়না। বরং পিডিএফ থেকে পড়তে হয়। বা প্রিন্ট করে নিয়ে পড়তে হয়। এখন প্রশ্ন হলো, বিদেশী ঐ বইগুলো কি প্রিন্ট করে নিয়ে পড়া হারাম হবে? কারণ, এইসব বই তো আমরা প্রকাশকের অনুমতি না নিয়ে প্রিন্ট করছি। আর বিদেশী প্রকাশকের অনুমতি তো নেয়া সম্ভবও হয়ে ওঠেনা। তো, এখন যে বইগুলো বাজারে নেই বা বাইরের বই, সেগুলো কি প্রয়োজনের স্বার্থে প্রিন্ট করতে পারবো?
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
সম্মানিত প্রশ্নকারী!
একজন লেখকই জানেন যে, একটি বই লিখতে বা একটি গ্রন্থ রচনা করতে তার কি পরিমাণ ঘাম ঝরাতে হয়! কত রাত বিনিদ্র কাটাতে হয়। কি পরিমাণ অর্থ ও সময় ব্যায় করতে হয়। এতো সব কিছু করার পরই কেবল একটি বই, একটি গ্রন্থ আলোর মুখ দেখতে পায়। কোনো মানুষ যদি সর্বসত্ব অধিকারী লেখক/প্রকাশকের অনুমতি ছাড়া তার কোনো গ্রন্থ প্রকাশ করা বা ছাপা জায়েজ নাই। তবে যেহেতু দুঃস্প্রাপ্ততা এবং ব্যক্তি পর্যায়ে প্রকাশক থেকে অনুমতি নেওয়া দুরহ ব্যাপার তাই ব্যক্তিগত অধ্যয়ন এবং গবেষণার স্বার্থে সেগুলো ছাপানোর অবকাশ পাওয়া যায়। তবে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে এজাতীয় গ্রন্থ ছাপানো জায়েজ হবে না।
ولكن الذي يحتفظ بحق الطباعة لا يمنع أحدا من قراءة الكتاب ولا دراسته ولا تعليمه ولا تبليغ ما فيه ، حتى أنه لا يمنع من بيعه والتجارة فيه ، ولكنه يمنع من أن يطبعه الآخر بغير إذن منه ، ليكسب بذلك الأرباح ، فليس ذلك من كتمان العلم في شيئ
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
উস্তাজুল ইফতা, জামিয়া ইমাম বুখারী, উত্তরা, ঢাকা।
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন