আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

২৩৭১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার মরহুম পিতার উপর হজ্ব ফরয ছিল। তিনি প্রচুর সম্পত্তি রেখে মারা যান। নিজের ফরয হজ্বটা করে যেতে পারেননি। এবং বদলি হজ্ব করার অসিয়তও করে যাননি। ফলে তাঁর পক্ষ থেকে হজ্বের ব্যবস্থা না করেই সকল সম্পত্তি ভাগ করে নিয়েছি। এখন আমি একা তার পক্ষ থেকে বদলি হজ্ব করার জন্য চাকরির টাকা ও কিছু জমি বিক্রি করে হজ্ব করার মতো টাকা জমা করেছি। আমার নিয়ত হল, আগে পিতার হজ্ব করব এরপর আমার নিজের হজ্ব করব। কেননা আমার ধারণা যে আমার উপর হজ্ব ফরয হয়নি, কিন্তু একজন আলেম বললেন, আমার উপরও হজ্ব ফরয। তাই আগে নিজের হজ্ব আদায় কর। এরপর সম্ভব হলে তোমার পিতার বদলি হজ্ব আদায় করবে।

এখন আমি আমার নিজের হজ্ব আদায় করব নাকি পিতার বদলি হজ্ব আদায় করব? দয়া করে জানাবেন।

 


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৪৮ বার পড়া হয়েছে
২৮৭৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

 

ক) এক ব্যক্তি এক গরীব লোককে হজ্বের জন্য তিন লাখ টাকা দিয়ে বলেছে, এটা তোমাকে দিলাম। বদলী হজ্ব নয়। লোকটি হঠাৎ হজ্বের ব্যবস্থা হওয়ায় ভীষণ খুশি হল। কিন্তু তাকে এক মুআল্লিম বলল, তোমার এ হজ্ব দ্বারা ফরয হজ্ব আদায় হবে না। তাই সামর্থ্যবান হলে তখন তোমাকে নিজের টাকা দিয়ে আবার হজ্ব করতে হবে। একথা কি সঠিক?

খ) আমাদের অফিস থেকে এ বছর দু’জনকে হজ্বে পাঠানো হচ্ছে। তারা প্রতিবছর পাঠায়। এটা কর্মচারীদের জন্য একটা সুযোগ। জানতে চাই, কোনো কর্মচারী যদি একেবারে গরীব হয়, যার উপর হজ্ব ফরয হয়নি সে এভাবে হজ্ব করলে তা কি ফরয হজ্ব হবে? তেমনিভাবে যাদের টাকা আছে তারা নিজ খরচে না গিয়ে এভাবে গেলে ফরয হজ্ব আদায় হবে কি?

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৪০ বার পড়া হয়েছে
১৮০৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

হজ্ব করার মতো কোনো আর্থিক সামর্থ্য আমার ছিল না। কিন্তু মনে হজ্ব করার খুব আগ্রহ ছিল। এরপর মাওলানা আবু তাহের মিসবাহ দামাত বারাকাতুহুম-এর হজ্ব সফরনামা ‘‘বাইতুল্লাহর মুসাফির’’ পড়ে আগ্রহ আরো বেড়ে যায়। ফলে ২০১০ সালে আমার এক বন্ধুর সাথে হজ্বে যাই। আমার হজ্বের যাবতীয় খরচ সে বহন করেছে এ শর্তে যে, পরবর্তীতে সময়-সুযোগমতো তাকে আমি ঐ টাকা পরিশোধ করে দিব। হজ্ব করে আসার পর দুই বছরের মধ্যে আমি তাকে ঐ টাকা পরিশোধ করে দিয়েছি। এখন আমার কাছে অনেক টাকা পয়সা আছে। এ বছর আমি আবার হজ্ব করতে চাচ্ছি। তাই হুযুরের নিকট জানতে চাই যে, আমার অস্বচ্ছল অবস্থায় আদায়কৃত হজ্ব কি ফরয হিসেবে আদায় হয়েছে? আর এ বছর আমি কোন হজ্বের নিয়ত করব, ফরয নাকি নফল হজ্বের? দয়া করে জানালে কৃতজ্ঞ হব।


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৩১ বার পড়া হয়েছে
১০৬২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

চাচার কাছে শুনেছি দাদীর অনেক জায়গা-জমি ছিল। চাচার বর্ণনা অনুযায়ী বুঝলাম, দাদীর এ পরিমাণ প্রয়োজনাতিরিক্ত জমি ছিল যার একাংশও বিক্রি করে তিনি হজ্ব করতে পারতেন। কিন্তু সকল সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও তিনি হজ্ব করেননি। চাচাকে এ ব্যাপারে বুঝালে তিনি দাদীর পক্ষ থেকে হজ্ব করতে রাজি হলেন। পরে চাচা বললেন, আম্মা আমাকে তো এ ব্যাপারে কিছু বলে যায়নি। এখন কীভাবে কী করি। আর সামনে আমার ব্যস্ততা বাড়তে পারে তখন অন্য কাউকে দিয়ে মায়ের পক্ষ থেকে হজ্ব করালে হবে কি না? এ দুটি প্রশ্নের উত্তর আমার জানা ছিল না। তাই হুযুরের কাছে এর উত্তর জানতে চাচ্ছি।

 

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
১৩ বার পড়া হয়েছে
২০৬৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

কিছুদিন আগে আমার পিতা মারা যান। তিনি হজ্ব করেননি। ইন্তেকালের আগে তিনি বদলি হজ্বের অসিয়ত করে গেছেন। কিন্তু আমার পিতার রেখে যাওয়া সম্পদের এক তৃতীয়াংশ (যার মূল্য প্রায় দুই লক্ষ টাকা) দ্বারা বর্তমানে হজ্ব করানো সম্ভব নয়। আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব হুজুর বলেছেন, আমরা যদি তাকে দুই লক্ষ টাকা দেই তাহলে তিনি নিজের পক্ষ থেকে বাকি ‘আশি হাজার’ টাকা দিয়ে বাবার বদলি হজ্ব আদায় করবেন। প্রশ্ন হল, এভাবে বদলি হজ্ব আদায় করলে আমার পিতার ফরয হজ্ব আদায় হবে কি? জানিয়ে বাধিত করবেন।

 


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৩৭ বার পড়া হয়েছে