দু'আ (মুনাজাতে মাকবুল - শনিবার)

মোট বিষয় - ৫৪ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

১.

উপকারী ইলমের জন্য দু‘আ-২

۞ اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا وَرِزْقًا طَيِّبًا
উচ্চারণঃ

আল্ল-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকা ’ইলমান না-ফি’আন ওয়া ’আমালান মুতাকাব্বালান ওয়া রিযকন ত্বইয়্যিবা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে উপকারী 'ইলম, উত্তম রিযিক এবং মকবূল আমল চাই।

২.

দু‘আ-৪

رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوْبَنَا بَعْدَ اِذْ هَدَیْتَنَا وَ هَبْ لَنَا مِنْ لَّدُنْكَ رَحْمَةً ۚ اِنَّكَ اَنْتَ الْوَهَّابُ۝۸
উচ্চারণঃ

রাব্বানা লা-তুঝিগ কুলূবানা বা‘দা ইয হাদাইতানা ওয়াহাবলানা মিল্লা দুনকা রাহমাতান, ইন্নাকা আনতাল ওয়াহহা-ব।

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি আমাদেরকে যখন হিদায়াত দান করেছ তারপর আর আমাদের অন্তরে বক্রতা সৃষ্টি করো না এবং একান্তভাবে নিজের পক্ষ হতে আমাদেরকে রহমত দান কর। নিশ্চয়ই তুমিই মহাদাতা।

৩.

দু‘আ-৬

رَبَّنَا مَا خَلَقْتَ هٰذَا بَاطِلًا ۚ سُبْحٰنَكَ فَقِنَا عَذَابَ النَّارِ۝۱۹۱
উচ্চারণঃ

রাব্বানা মা-খালাকতা হাযা-বা-তিলান ছুবহা-নাকা ফাকিনা-‘আযা-বান্না-র

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি এসব উদ্দেশ্যহীনভাবে সৃষ্টি করেননি। আপনি (এমন ফজুল কাজ থেকে) পবিত্র। সুতরাং আপনি আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন।

৪.

দু‘আ-৯

رَبَّنَا وَاٰتِنَا مَا وَعَدْتَّنَا عَلٰی رُسُلِكَ وَ لَا تُخْزِنَا یَوْمَ الْقِیٰمَةِ ؕ اِنَّكَ لَا تُخْلِفُ الْمِیْعَادَ۝۱۹۴
উচ্চারণঃ

রাব্বানা ওয়া আ-তিনা মা ওয়া-‘আত্তানা ‘আলা-রুসুলিকা ওয়ালা তুখঝিনা ইয়াওমাল কিয়ামাতি ইন্নাকা লা তুখলিফুল মী‘আ-দ।

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে সেই সবকিছু দান করুন, যার প্রতিশ্রুতি আপনি নিজ রাসূলগণের মাধ্যমে আমাদেরকে দিয়েছেন। আমাদেরকে কিয়ামতের দিন লাঞ্ছিত করবেন না। নিশ্চয়ই আপনি কখনও প্রতিশ্রুতির বিপরীত করেন না।

৫.

দু‘আ-১২

اَنْتَ وَلِیُّنَا فَاغْفِرْ لَنَا وَ ارْحَمْنَا وَاَنْتَ خَیْرُ الْغٰفِرِیْنَ۝۱۵۵
উচ্চারণঃ

আনতা ওয়ালিইউনা ফাগফিরলানা ওয়ারহামনা ওয়া আনতা খাইরুল গা-ফিরীন।

অর্থঃ

আপনিই আমাদের অভিভাবক। সুতরাং আমাদেরকে ক্ষমা করে দিন ও আমাদের প্রতি রহম করুন। নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীলদের মধ্যে শ্রেষ্ঠতম ক্ষমাশীল।

৬.

দু‘আ-১৩

رَبَّنَا لَا تَجْعَلْنَا فِتْنَةً لِّلْقَوْمِ الظّٰلِمِیْنَۙ۝۸۵ وَ نَجِّنَا بِرَحْمَتِكَ مِنَ الْقَوْمِ الْكٰفِرِیْنَ۝۸۶
উচ্চারণঃ

রাব্বানা লা তাজ‘আলনা ফিতনাতাল লিলকাওমিজ্জা-লিমীন। ওয়া নাজজিনা বিরাহমাতিকা মিনাল কাওমিল কা-ফিরীন।

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে ওই জালেম সম্প্রদায়ের পরীক্ষার পাত্র বানিও না। এবং নিজ রহমতে আমাদেরকে কাফের সম্প্রদায় হতে নাজাত দাও।

৭.

নিজে ও সন্তানদের নামাজি করার দু‘আ

رَبِّ اجْعَلْنِیْ مُقِیْمَ الصَّلٰوةِ وَ مِنْ ذُرِّیَّتِیْ ۖۗ رَبَّنَا وَ تَقَبَّلْ دُعَآءِ۝۴۰
উচ্চারণঃ

রাব্বিজ ‘আলনী মুকীমাসসালা-তি ওয়া মিন যুররিইইয়াতী, রাব্বানা ওয়া তাকাব্বাল দু‘আই।

অর্থঃ

হে আমার প্রতিপালক! আমাকেও নামায কায়েমকারী বানিয়ে দিন এবং আমার আওলাদের মধ্য হতেও (এমন লোক সৃষ্টি করুন, যারা নামায কায়েম করবে)। হে আমার প্রতিপালক! এবং আমার দু‘আ কবুল করে নিন।

৮.

দাওয়াতের কাজে সহজতা ও বাকপটুতা লাভের দু‘আ

رَبِّ اشۡرَحۡ لِیۡ صَدۡرِیۡ - وَیَسِّرۡ لِیۡۤ اَمۡرِیۡ - وَاحۡلُلۡ عُقۡدَۃً مِّنۡ لِّسَانِیۡ - یَفۡقَہُوۡا قَوۡلِیۡ
উচ্চারণঃ

রব্বিশরহ লী সদরী, ওয়া ইয়াসসির লী আমরী, ওয়াহলুল 'উক্বদাতাম মিল লিসানী, ইয়াফক্বহূ ক্বওলী।

অর্থঃ

হে আমার প্রতিপালক! আমার বক্ষ খুলে দিন। এবং আমার কাজ সহজ করে দিন। এবং আমার জিহ্বা থেকে জড়তা দূর করে দিন। যাতে মানুষ আমার কথা বুঝতে পারে।

৯.

দু‘আ-২৬

رَبَّنَاۤ اٰمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا وَ ارْحَمْنَا وَ اَنْتَ خَیْرُ الرّٰحِمِیْنَۚۖ۝۱۰۹
উচ্চারণঃ

রাব্বানা আ-মান্না ফাগফিরলানা ওয়ারহামনা ওয়াআনতা খাইরুর রা-হিমীন।

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা ঈমান এনেছি। সুতরাং আমাদেরকে ক্ষমা করে দিন এবং আমাদের প্রতি দয়া করুন। আপনি দয়ালুদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ দয়ালু।

১০.

দু‘আ-৩৩

رَبَّنَا وَ اَدْخِلْهُمْ جَنّٰتِ عَدْنِ ِ۟الَّتِیْ وَعَدْتَّهُمْ وَ مَنْ صَلَحَ مِنْ اٰبَآىِٕهِمْ وَ اَزْوَاجِهِمْ وَ ذُرِّیّٰتِهِمْ ؕ اِنَّكَ اَنْتَ الْعَزِیْزُ الْحَكِیْمُۙ۝۸ وَ قِهِمُ السَّیِّاٰتِ ؕ وَ مَنْ تَقِ السَّیِّاٰتِ یَوْمَىِٕذٍ فَقَدْ رَحِمْتَهٗ ؕ وَ ذٰلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْعَظِیْمُ۠۝۹
উচ্চারণঃ

রাব্বানা ওয়া আদখিলহুম জান্না-তি ‘আদনি নিল্লাতী ওয়া ‘আত্তাহুম ওয়া মান সালাহা মিন আবাইহিম ওয়া আঝওয়া-জিহিম ওয়া যুররিইয়া-তিহিম ইন্নাকা আনতাল ‘আঝীঝুল হাকীম। ওয়া কিহিমুছ ছাইয়িআ-তি ওয়া মান তাকিছ ছাইয়িআ-তি ইয়াওমায়িযিন ফাকাদ রাহিমতাহূ ওয়া যা-লিকা হুওয়াল ফাওঝুল ‘আজীম।

অর্থঃ

হে আমাদের প্রতিপালক! তাদেরকে দাখিল কর স্থায়ী জান্নাতে, যার ওয়াদা তুমি তাদের সাথে করেছ এবং তাদের পিতা-মাতা, স্ত্রী ও সন্তানদের মধ্যে যারা নেক লোক তাদেরকেও। নিশ্চয়ই তুমিই পরাক্রশালী, প্রজ্ঞাময়। এবং তাদেরকে সকল মন্দ বিষয় থেকে রক্ষা কর। সে দিন তুমি যাকে সব মন্দ থেকে রক্ষা করবে, তার প্রতি তুমি অবশ্যই দয়া করলে। আর এটাই মহাসাফল্য।

১১.

দু‘আ-৪৭

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ خَطِيْٓئَتِيْ وَجَهْلِيْ وَإِسْرَافِيْ فِيْۤ أَمْرِيْ وَمَاۤ أَنْتَ أَعْلَمُ بِه مِنِّيْ .
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাগফির লী খাতীআতী, ওয়া জাহলী, ওয়া ইসরাফী ফী আমরী, ওয়া মা আনতা আ‘লামু বিহী মিন্নী।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমার গুনাহ, আমার মূর্খতা ও আমার কাজের সীমালংঘন এবং যে বিষয়ে আপনি আমার চাইতে অধিক জানেন তা ক্ষমা করে দিন।

১২.

আল্লাহর আনুগত্যের প্রতি অন্তর পরিচালিত হওয়ার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ مُصَرِّفَ الْقُلُوْبِ! صَرِّفْ قُلُوْبَنَا عَلٰى طَاعَتِكَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা মুসাররিফাল কুলূবি! সাররিফ কুলূবানা ‘আলা ত্বা‘আতিক।

অর্থঃ

হে অন্তরসমূহের পরিচালক আল্লাহ! আমাদের অন্তরসমূহকে আপনার আনুগত্যের দিকে পরিচালিত করুন।

১৩.

দীন, দুনিয়া ও আখিরাতের সংশোধন এবং কল্যাণময় জীবনের দু‘আ

اَللّٰهُمَّ أَصْلِحْ لِيْ دِينِىَ الَّذِيْ هُوَ عِصْمَةُ أَمْرِىْ، وَأَصْلِحْ لِيْ دُنْيَاىَ الَّتِيْ فِيْهَا مَعَاشِىْ، وَأَصْلِحْ لِيْ اٰخِرَتِيَ الَّتِيْ فِيْهَا مَعَادِيْ، وَاجْعَلْ الْحَيٰوةَ زِيَادَةً لِّيْ فِيْ كُلِّ خَيْرٍ، وَاجْعَلِ الْمَوْتَ رَاحَةً لِّيْ مِنْ كُلِّ شَرٍّ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা আসলিহ লী দীনিয়াল্লাযী হুয়া ‘ইসমাতু আমরী, ওয়া আসলিহ লী দুনইয়ায়াল্লাতী ফীহা মা‘আশী, ওয়া আসলিহ লী আখিরাতিয়াল্লাতী ফীহা মা‘আদী, ওয়াজ‘আলিল হায়াতা যিয়াদাতাল লী ফী কুল্লি খাইরিন, ওয়াজ‘আলিল মাওতা রাহাতাল লী মিন কুল্লি শাররিন।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমার দীনকে সংশোধন করে দিন, যা আমার সকল কাজের সুরক্ষাকবচ। আমার দুনিয়াকে সংশোধন করে দিন, যেখানে আমার জীবিকা রয়েছে। আমার আখিরাতকে সংশোধন করে দিন, যেখানে আমাকে ফিরে যেতে হবে। আমার জীবনকে প্রতিটি কল্যাণ বৃদ্ধির মাধ্যম বানিয়ে দিন এবং মৃত্যুকে আমার জন্য সকল অনিষ্ট থেকে মুক্তির আরামের মাধ্যম বানিয়ে দিন।

১৪.

দুনিয়া-আখিরাতের যাবতীয় বিপদ, ফিতনা ও অনিষ্ট থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনার দুআ

اَللّٰهُمَّ إِنِّىْۤ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْجُبُنِ وَالْهَرَمِ، وَالْمَغْرَمِ وَالْمَأْثَمِ، وَمِنْ عَذَابِ النَّارِ وَفِتْنَةِ النَّارِ، وَفِتْنَةِ الْقَبْرِ وَعَذَابِ الْقَبْرِ، وَشَرِّ فِتْنَةِ الْغِنٰى وَشَرِّ فِتْنَةِ الْفَقْرِ، وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْمَسِيْحِ الدَّجَّالِ، ومِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ، وَمِنَ الْقَسْوَةِ وَالْغَفْلَةِ، وَالْعَيْلَةِ وَالذِّلَّةِ، وَالْمَسْكَنَةِ وَالْفَقْرِ، وَالْكُفْرِ وَالْفُسُوْقِ وَالشِّقَاقِ، وَالسُّمْعَةِ وَالرِّيَآءِ، وَمِنَ الصَّمَمِ وَالْبَكَمِ، وَالْجُنُوْنِ وَالْجُذَامِ وَسَيِّءِ الْأَسْقَامِ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ، وَمِنَ الْـهَمِّ وَالْحُزْنِ، وَالْبُخْلِ وَغَلَـبَةِ الرِّجَالِ، وَمِنْ أَنْ أُرَدَّ إِلٰۤى أَرْذَلِ الْعُمُرِ، وَفِتْنَةِ الدُّنْيَا، وَمِنْ عِلْمٍ لَّا يَنْفَعُ، وَمِنْ نَّفْسٍ لَّا تَشْبَعُ، وَمِنْ قَلْبٍ لَّا يَخْشَعُ، وَمِنْ دَعْوَةٍ لَّا يُسْتَجَابُ لَهَا.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আ‘ঊযু বিকা মিনাল ‘আজযি ওয়াল কাসালি, ওয়াল জুবনি ওয়াল হারামি, ওয়াল মাগরামি ওয়াল মা’ছামি, ওয়া মিন ‘আযাবিন নারি ওয়া ফিতনাতিন নারি, ওয়া ফিতনাতিল কাবরি ওয়া ‘আযাবিল কাবরি, ওয়া শাররি ফিতনাতিল গিনা ওয়া শাররি ফিতনাতিল ফাকরি, ওয়া মিন শাররি ফিতনাতিল মাসীহিদ দাজ্জালি, ওয়া মিন ফিতনাতিল মাহইয়া ওয়াল মামাতি, ওয়া মিনাল কাসওয়াতি ওয়াল গাফলাতি, ওয়াল ‘আইলাতি ওয়ায যিল্লাতি, ওয়াল মাসকানাতি ওয়াল ফাকরি, ওয়াল কুফরি ওয়াল ফুসূকি ওয়াশ শিকাকি, ওয়াস সুম‘আতি ওয়াল রিয়া-ই, ওয়া মিনাস সামামি ওয়াল বাকামি, ওয়াল জুনূনি ওয়াল জুযামি ওয়া সাইয়্যি-ইল আসকামি, ওয়া দালা‘ইদ দাইনি, ওয়া মিনাল হাম্মি ওয়াল হুযনি, ওয়াল বুখলি ওয়া গালাবাতির রিজালি, ওয়া মিন আন উরাদ্দা ইলা আরযালিল ‘উমুরি, ওয়া ফিতনাতিদ দুনইয়া, ওয়া মিন ‘ইলমিল লা ইয়ানফা‘উ, ওয়া মিন নাফসিল লা তাশবা‘উ, ওয়া মিন কালবিল লা ইয়াখশা‘উ, ওয়া মিন দা‘ওয়াতিল লা ইউস্তাজাবু লাহা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে অক্ষমতা, অলসতা, কাপুরুষতা, বার্ধক্যজনিত দুর্বলতা, ঋণের বোঝা ও পাপ থেকে আশ্রয় চাই। জাহান্নামের শাস্তি ও তার ফিতনা, কবরের ফিতনা ও শাস্তি, প্রাচুর্যের ফিতনা এবং অভাবের ফিতনার অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই। দাজ্জালের ফিতনা, জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা, অন্তরের কঠোরতা, উদাসীনতা, অভাব, লাঞ্ছনা, দারিদ্র্য, কুফর, পাপাচার, বিভেদ, লোক-শোনানো আমল ও রিয়া থেকে আশ্রয় চাই। বধিরতা, বোবা হওয়া, উন্মাদনা, কুষ্ঠরোগ ও যাবতীয় মন্দ রোগ থেকে আশ্রয় চাই। ঋণের বোঝা, দুশ্চিন্তা, দুঃখ, কৃপণতা ও মানুষের প্রাধান্য থেকে আশ্রয় চাই। আমাকে যেন জীবনের নিকৃষ্ট বার্ধক্যে ফিরিয়ে দেওয়া না হয়। দুনিয়ার ফিতনা, অনুপকারী জ্ঞান, অতৃপ্ত আত্মা, আল্লাহর ভয়ে অবনত হয় না এমন অন্তর এবং কবুল হয় না এমন দুআ থেকেও আপনার আশ্রয় চাই।