দু'আ (মুনাজাতে মাকবুল - সোমবার)

মোট বিষয় - ৩১ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

১.

ধৈর্যশীল, কৃতজ্ঞ ও বিনয়ী হওয়ার দু‘আ

اَللّٰهُمَ اجْعَلْنِيْ صَبُوْرًا وَّ اجْعَلْنِيْ شَكُوْرًا، وَاجْعَلْنِيْ فِيْ عَيْنِيْ صَغِيْرًا وَّفِيْۤ أَعْيُنِ النَّاسِ كَبِيْرًا.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাজ‘আলনী সবূরাঁও ওয়াজ‘আলনী শাকূরাঁও, ওয়াজ‘আলনী ফী ‘আইনী সগীরাঁও ওয়া ফী আ‘য়ুনিন্না-সি কাবীরা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমাকে অধিক ধৈর্যশীল ও অধিক কৃতজ্ঞ বানিয়ে দিন। আমাকে আমার নিজের চোখে ছোট এবং মানুষের চোখে বড় করে দিন।

২.

দিনের কল্যাণ, বিজয়, সাহায্য, আলো, বরকত ও হিদায়াত লাভের দুআ

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ خَيْرَ هٰذَا الْيَوْمِ وَفَتْحَهٗ وَنَصْرَهٗ وَنُوْرَهٗ وَبَرَكَتَهٗ وَهُدَاهٗ .
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা খাইরা হাযাল ইয়াওমি, ওয়া ফাতহাহূ, ওয়া নাসরাহূ, ওয়া নূরাহূ, ওয়া বারাকাতাহূ, ওয়া হুদাহূ।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে এই দিনের কল্যাণ, বিজয়, সাহায্য, আলো, বরকত ও হিদায়াত প্রার্থনা করছি।

৩.

দিনের শুরু, মধ্যভাগ ও শেষের কল্যাণের দু‘আ

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ أَوَّلَ هٰذَا النَّهَارِ صَلَاحًا، وَأَوْسَطَهٗ فَلَاحًا، وَاٰخِرَهٗ نَجَاحًا. أَسْأَلُكَ خَيْرَ الدُّنْيَا وَالْاٰخِرَةِ يَاۤ أَرْحَمَ الرَّاحِمِيْنَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাজ‘আল আওয়ালা হাযান নাহারি সালাহা, ওয়া আওসাতাহু ফালাহা, ওয়া আখিরাহু নাজাহা। আসআলুকা খাইরাদ দুনইয়া ওয়াল আখিরাতি, ইয়া আরহামার রাহিমীন।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! এই দিনের প্রথম ভাগকে কল্যাণময়, মধ্যভাগকে সফলতাময় এবং শেষ ভাগকে কামিয়াবিময় করুন। আমি আপনার কাছে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ প্রার্থনা করছি, হে সর্বাধিক দয়ালু!

৪.

গুনাহ মাফ, শয়তান থেকে মুক্তি ও নেকির পাল্লা ভারী হওয়ার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْلِيْ ذَنْۢبِيْ وَاخْسَأْ شَيْطَانِيْ وَفُكَّ رِهَانِيْ، وَثَقِّلْ مِيْزَانِيْ، وَاجْعَلْنِيْ فِيْ النَّدِيِّ الْأَعْلٰى.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাগফির লী যানবী, ওয়াখসা শাইত্বানী, ওয়া ফুক্কা রিহানী, ওয়া সাক্কিল মীযানী, ওয়াজ‘আলনী ফিন নাদিয়্যিল আ‘লা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমার গুনাহ ক্ষমা করুন, আমার শয়তানকে অপদস্থ করুন, আমার দায়মুক্তি নিশ্চিত করুন, আমার আমলের পাল্লা ভারী করুন এবং আমাকে সর্বোচ্চ মর্যাদার সমাবেশে স্থান দিন।

৫.

তাওবাকারী ও পবিত্রতা অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْنِيْ مِنَ التَّوَّابِيْنَ، وَاجْعَلْنِيْ مِنَ الْمُتَطَهِّرِيْنَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাজ‘আলনী মিনাত তাওয়াবীনা, ওয়াজ‘আলনী মিনাল মুতাতাহহিরীন।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমাকে অধিক তাওবাকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন এবং আমাকে পবিত্রতা অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন।

৬.

ক্ষমা, হিদায়াত, রিজিক ও সুস্থতা লাভের দু‘আ

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ وَاهْدِنِيْ، وَارْزُقْنِيْ وَعَافِنِيْ، وَاهْدِنِيْ لِمَا اخْتُلِفَ فِيْهِ مِنَ الْحَقِّ بِإِذْنِكَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাগফির লী, ওয়াহদিনী, ওয়ারযুকনী, ওয়া ‘আফিনী, ওয়াহদিনী লিমাখতুলিফা ফীহি মিনাল-হাক্কি বিইযনিক।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন, আমাকে হিদায়াত দান করুন, আমাকে রিজিক দান করুন এবং আমাকে সুস্থতা দান করুন। আপনার অনুমতিক্রমে সত্যের যেসব বিষয়ে মতভেদ করা হয়েছে, সেসব বিষয়ে আমাকে সত্যের পথ দেখান।

৭.

আল্লাহর অনুগ্রহ প্রার্থনার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَ لُكَ مِنْ فَضْلِكَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা মিন ফাদলিকা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার অনুগ্রহ প্রার্থনা করছি।

৮.

গুনাহ মাফ, জীবন-জীবিকা, হিদায়াত ও উত্তম চরিত্রের দু‘আ

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ خَطَايَايَ وَذُنُوْبِيْ كُـلَّهَا. اَللّٰهُمَّ انْعَشْنِيْ وَأَحْيِنِيْ وَارْزُقْنِيْ، وَاهْدِنِيْ لِصَالِحِ الْأَعْمَالِ وَالْاَخْلَاقِ، إِنَّهٗ لَا يَهْدِيْ لِصَالِحِهَا وَلَا يَصْرِفُ سَيِّئَهَاۤ إِلَّا أَنْتَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মাগফির লী খাতায়ায়া ওয়া জুনূবী কুল্লাহা। আল্লাহুম্মা আন‘আশনী ওয়া আহয়িনী ওয়ারযুকনী, ওয়াহদিনী লিসালিহিল আ‘মালি ওয়াল আখলাকি। ইন্নাহূ লা ইয়াহদী লিসালিহিহা, ওয়ালা ইয়াসরিফু সাইয়িআহা ইল্লা আনতা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমার সমস্ত ভুলত্রুটি ও গুনাহ ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ! আমাকে সজীবতা ও শক্তি দান করুন, আমাকে জীবিত রাখুন, আমাকে রিজিক দান করুন এবং আমাকে নেক আমল ও উত্তম চরিত্রের পথে পরিচালিত করুন। নিশ্চয়ই আপনি ছাড়া আর কেউ উত্তম আমলের দিকে পথ দেখাতে পারে না এবং মন্দ কাজ ও মন্দ চরিত্র থেকে বিরত রাখতে পারে না।

৯.

আল্লাহর কাছে অসহায়ত্ব প্রকাশ, সাহায্য প্রার্থনা ও দু`আ কবুলের আবেদন

اَللّٰهُمَّ إِنَّكَ تَسْمَعُ كَـلَامِيْ، وَتَرٰى مَكَانِيْ، وَتَعْلَمُ سِرِّيْ وَعَلَانِيَتِىْ، لَا يَخْفٰى عَلَيْكَ شَيْءٌ مِّنْ أَمْرِيْ، وَأَنَا الْبَآئِسُ الْفَقِيْرُ الْمُسْتَغِيْثُ الْمُسْتَجِيْرُ الْوَجِلُ الْمُشْفِقُ الْمُقِرُّ الْمُعْتَرِفُ بِذَنْبِىْ، أَسْأَلُكَ مَسْأَلَةَ الْمِسْكِيْنِ، وَأَبْتَهِلُ إِلَيْكَ ابْتِهَالَ الْمُذْنِبِ الذَّلِيْلِ، وَأَدْعُوْكَ دُعَآءَ الْخَآئِفِ الضَّرِيْرِ، وَدُعَآءَ مَنْ خَضَعَتْ لَكَ رَقَبَتُهٗ، وَفَاضَتْ لَكَ عَبْرَتُهٗ، وَذَلَّ لَكَ جِسْمُهٗ، وَرَغِمَ لَكَ أَنْفُهٗ. اَللّٰهُمَ لَا تَجْعَلْنِيْ بِدُعَآئِكَ شَقِيًّا، وَكُنْۢ بِيْ رَؤُوْفًا رَّحِيْمًا، يَا خَيْرَ الْمَسْؤُوْلِيْنَ! وَيَا خَيْرَ الْمُعْطِيْنَ! اَللّٰهُمَّ إِلَيْكَ أَشْكُوْ ضُعْفَ قُوَّتِيْ وَقِلَّةَ حِيْلَتِيْ وَهَوَانِيْ عَلَى النَّاسِ، يَاۤ أَرْحَمَ الرَّاحِمِيْنَ، إِلٰى مَنْ تَكِلُنِيْ؟ إِلٰى عَدُوٍّ يَـتَجَهَّمُنِيْ؟ أَمْ إِلٰى قَرِيْبٍ مَّلَّكْتَهٗ أَمْرِيْ؟ إِنْ لَّمْ تَكُنْ سَاخِطًا عَلَيَّ فَلَاۤ أُبَالِيْ غَيْرَ أَنَّ عَافِيَتَكَ أَوْسَعُ لِىْ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নাকা তাসমা‘উ কালামী, ওয়া তারা মাকানী, ওয়া তা‘লামু সির্রী ওয়া ‘আলানিয়াতী, লা ইয়াখফা ‘আলাইকা শাইউম মিন আমরী। ওয়া আনা আল-বাইসুল ফাকীরুল মুসতাগীসুল মুসতাজীরুল ওয়াজিলুল মুশফিকুল মুকিররুল মু‘তারিফু বিযাম্বী। আসআলুকা মাসআলাতাল মিসকীন, ওয়া আবতাহিলু ইলাইকা ইবতিহালাল মুযনিবিয যালীল, ওয়া আদ‘ঊকা দু‘আআল খা-ইফিদ দারীর, ওয়া দু‘আআ মান খাদা‘আত লাকা রাকাবাতুহূ, ওয়া ফাদাত লাকা ‘আবরাতুহূ, ওয়া যাল্লা লাকা জিসমুহূ, ওয়া রাগিমা লাকা আনফুহূ। আল্লাহুম্মা লা তাজ‘আলনী বিদু‘আয়িকা শাকিয়্যা, ওয়া কুন বী রাঊফার রাহীমা, ইয়া খাইরাল মাসঊলীন, ওয়া ইয়া খাইরাল মু‘তীন। আল্লাহুম্মা ইলাইকা আশকূ দু‘ফা কুওয়াতী, ওয়া কিল্লাতা হীলাতী, ওয়া হাওয়ানী ‘আলান নাস। ইয়া আরহামার রাহিমীন, ইলা মান তাকিলুনী? ইলা ‘আদুইয়্যিন ইয়াতাজাহহামুনী? আম ইলা কারীবিম মাল্লাকতাহূ আমরী? ইন লাম তাকুন সাখিতান ‘আলাইয়্যা ফালা উবালী, গাইরা আন্না ‘আফিয়াতাকা আওসা‘উ লী।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আপনি আমার কথা শোনেন, আমার অবস্থান দেখেন এবং আমার গোপন ও প্রকাশ্য বিষয় জানেন। আমার কোনো বিষয়ই আপনার কাছে গোপন নয়। আমি অসহায়, অভাবগ্রস্ত, সাহায্যপ্রার্থী, আশ্রয়প্রার্থী, ভীত-সন্ত্রস্ত, উদ্বিগ্ন এবং নিজের পাপ স্বীকারকারী। আমি আপনার কাছে একজন অসহায় ব্যক্তির মতো প্রার্থনা করছি, বিনয়ী পাপীর মতো আপনার কাছে কাকুতি-মিনতি করছি এবং ভীত ও বিপদগ্রস্ত ব্যক্তির মতো আপনাকে ডাকছি—যার ঘাড় আপনার সামনে অবনত, যার চোখের পানি আপনার জন্য প্রবাহিত, যার দেহ আপনার সামনে বিনীত এবং যার নাক আপনার সামনে ধূলিধূসরিত। হে আল্লাহ! আমার দুআর কারণে আমাকে হতভাগা করবেন না। আমার প্রতি স্নেহশীল ও দয়ালু হোন। হে সর্বোত্তম প্রার্থনা গ্রহণকারী এবং সর্বোত্তম দানকারী! হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছেই আমার শক্তির দুর্বলতা, সামর্থ্যের স্বল্পতা এবং মানুষের কাছে আমার অসহায় অবস্থার অভিযোগ পেশ করছি। হে সর্বাধিক দয়ালু! আপনি আমাকে কার কাছে সোপর্দ করছেন? এমন শত্রুর কাছে, যে আমার সঙ্গে রূঢ় আচরণ করবে? নাকি এমন নিকটাত্মীয়ের কাছে, যার হাতে আপনি আমার বিষয়টি অর্পণ করেছেন? যদি আপনি আমার প্রতি অসন্তুষ্ট না হন, তবে অন্য কোনো কিছুর পরোয়া করি না। তবে আপনার দেওয়া নিরাপত্তা ও সুস্থতা আমার জন্য অধিক প্রশস্ত ও কল্যাণকর।

১০.

ঈমান, তাকদিরের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস ও আল্লাহর বণ্টনে সন্তুষ্টি লাভের দু`আ

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَلُكَ إِيْمَانًا يُّبَاشِرُ قَلْبِيْ وَيَقِيْنًا صَادِقًا حَتّٰىۤ أَعْلَمَ أَنَّهٗ لَا يُصِيْبُنِيْۤ إِلَّا مَا كَتَبْتَ لِيْ، وَرِضًى مِّنَ الْمَعِيْشَةِ بِمَا قَسَمْتَ لِيْ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা ঈমানাইঁ ইউবাশিরু কালবী, ওয়া ইয়াকীনান সাদিকান হাত্তা আ‘লামা আন্নাহূ লা ইউসীবুনী ইল্লা মা কাতাবতা লী, ওয়া রিদাম মিনাল মা‘ঈশাতি বিমা কাসামতা লী।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে এমন ঈমান প্রার্থনা করছি, যা আমার অন্তরের গভীরে প্রবেশ করবে এবং এমন সত্যনিষ্ঠ দৃঢ় বিশ্বাস প্রার্থনা করছি, যাতে আমি জানতে পারি যে, আপনি আমার জন্য যা লিখে রেখেছেন, তা ছাড়া অন্য কিছুই আমার ওপর আপতিত হবে না। আর আপনি আমার জন্য জীবিকা থেকে যা বণ্টন করেছেন, তাতেই সন্তুষ্টি প্রার্থনা করছি।

১১.

মন্দ চরিত্র, খারাপ কাজ, বিপদ, শত্রু ও যাবতীয় অনিষ্ট থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَعُوْذُبِكَ مِنْ مُّنْكَرَاتِ الْأَخْلَاقِ وَالْأَعْمَالِ وَالْأَهْوَآءِ وَالْأَدْوَآءِ، وَنَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا اسْتَعَاذَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَمِنْ جَارِ السُّوْٓءِ فِيْ دَارِ الْمُقَامَةِ، فَإِنَّ جَارَ الْبَادِيَةِ يَتَحَوَّلُ، وَ غَلَبَةِ الْعَدُوِّ، وَشَمَاتَةِ الْأَعْدَآءِ، وَمِنَ الْجُوْعِ، فَإِنَّهٗ بِئْسَ الضَّجِيْعُ، وَمِنَ الْخِيَانَةِ فَبِئْسَتِ الْبِطَانَةُ، وَأَنْ نَّرْجِعَ عَلٰىۤ أَعْقَابِنَا أَوْ نُفْتَنَ عَنْ دِيْنِنَا، وَمِنَ الْفِتَنِ مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ، وَمِنْ يَوْمِ السُّوْٓءِ وَمِنْ لَّيْلَةِ السُّوْٓءِ، وَمِنْ سَاعَةِ السُّوْٓءِ، وَمِنْ صَاحِبِ السُّوْٓءِ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আ‘ঊযু বিকা মিন মুনকারাতিল আখলাকি ওয়াল আ‘মালি ওয়াল আহওয়াই ওয়াল আদওয়াই। ওয়া নাঊযু বিকা মিন শাররি মা-স্তা‘আযা মিনহু নাবিয়্যুকা মুহাম্মাদুন সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম। ওয়া মিন জারিস সূই ফী দারিল মুকামাহ, ফা-ইন্না জারাল বাদিয়াতি ইয়াতাহাওয়ালু। ওয়া গালাবাতিল ‘আদুওয়ি, ওয়া শামাতাতিল আ‘দাই, ওয়া মিনাল জূ‘ই, ফা-ইন্নাহূ বি’সাদ দাজী‘উ। ওয়া মিনাল খিয়ানাতি, ফা-বি’সাতিল বিতানাহ। ওয়া আন নারজি‘আ ‘আলা আ‘কাবিনা আও নুফতানা ‘আন দীনিনা। ওয়া মিনাল ফিতানি মা যাহারা মিনহা ওয়া মা বাতানা। ওয়া মিন ইয়াওমিস সূই, ওয়া মিন লাইলাতিস সূই, ওয়া মিন সা‘আতিস সূই, ওয়া মিন সাহিবিস সূই।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে মন্দ চরিত্র, মন্দ কাজ, কুপ্রবৃত্তি ও রোগব্যাধি থেকে আশ্রয় চাই। আপনার নবী মুহাম্মাদ ﷺ যেসব অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চেয়েছেন, সেসব অনিষ্ট থেকেও আমরা আপনার আশ্রয় চাই। স্থায়ী আবাসস্থলে মন্দ প্রতিবেশী থেকে আশ্রয় চাই; কারণ মরুভূমির প্রতিবেশী স্থানান্তরিত হয়ে চলে যেতে পারে। শত্রুর প্রাধান্য, শত্রুদের উল্লাস, ক্ষুধা ও বিশ্বাসঘাতকতা থেকে আশ্রয় চাই। কারণ ক্ষুধা অত্যন্ত নিকৃষ্ট সঙ্গী এবং বিশ্বাসঘাতকতা অত্যন্ত নিকৃষ্ট অন্তরঙ্গ। আমরা যেন দ্বীন থেকে পিছিয়ে না যাই এবং দ্বীন থেকে বিচ্যুতির পরীক্ষায় না পড়ি। প্রকাশ্য ও গোপন সব ধরনের ফিতনা, মন্দ দিন, মন্দ রাত, মন্দ মুহূর্ত এবং মন্দ সঙ্গী থেকে আপনার আশ্রয় চাই।