দু’আ

মোট দু’আ - ৫৯৬ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

.

দু‘আ-১৭৬

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ اَسْأَلُكَ تَعْجِيْلَ عَافِيَتِكَ وَدَفْعَ بَلَآئِكَ، وَخُرُوْجًا مِّنَ الدُّنْيَا اِلٰى رَحْمَتِكَ، يَا مَنْ يَّـكْفِيْ عَنْ كُلِّ أَحَدٍ وَّلَا يَكْفِيْ مِنْهُ أَحَدٌ، يَاۤ أَحَدَ مَنْ لَّاۤ أَحَدَ لَهٗ، وَيَا سَنَدَ مَنْ لَّا سَنَدَ لَهٗ، اِنْقَطَعَ الرَّجَآءُ إِلَّا مِنْكَ، نَجِّنِيْ مِمَّاۤ أَنَا فَيْهِ، وَ أَعِنِّيْ عَلٰى مَاۤ أَنَا عَلَيْهِ مِمَّا نَزَلَ بِيْ بِجَاهِ وَجْهِكَ الْكَرِيْمِ، وَبِحَقِّ مُحَمَّدٍ عَلَيْكَ، اٰمِيْنَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনার কাছে চাই দুনিয়ার নিরাপত্তা, বিপদ থেকে সুরক্ষা এবং দুনিয়া থেকে আপনার রহমতের দিকে যাত্রা।১৮৬ হে ঐ সত্তা যিনি সবার স্থলে যথেষ্ট; কিন্তু তার স্থলে কেউ যথেষ্ট নয়। হে অসহায়ের সহায়, হে অবলম্বনহীনের অবলম্বন! আপনি ছাড়া আর সবার থেকে প্রত্যাশা ছিন্ন হয়েছে। আমাকে ঐ অবস্থা থেকে মুক্তি দিন, যে অবস্থায় আমি আছি আর ঐ বিপদে আমাকে সাহায্য করুন, যা আমার উপর আপতিত হয়েছে। আপনার পবিত্র সত্তার মাহাত্ম্যের অসিলায় এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ঐ হকের অসিলায়, যা আপনার উপর রয়েছে। আমীন।১৮৭

.

দু‘আ-১৭৭

اَللّٰهُمَّ احْرُسْنِيْ بِعَيْنِكَ الَّتِيْ لَا تَنَامُ، وَاكْنُفْنِيْ بِرُكْنِكَ الَّذِيْ لَا يُرَامُ، وَارْحَمْنِيْ بِقُدْرَتِكَ عَلَيَّ فَلَا أَهْلِكَ، وَأَنْتَ رَجَآئِـيْ، فَـكَمْ مِّنْ نِعْمَةٍ أَنْعَمْتَ بِهَا عَلَيَّ قَلَّ لَكَ بِهَا شُكْرِيْ، وَكَمْ مِّنْۢ بَلِيَّةٍ ابْتَلَيْتَنِيْ بِهَا قَلَّ لَكَ بِهَا صَبْرِيْ، فَيَا مَنْ قَلَّ عِنْدَ نِعْمَتِه شُكْرِيْ، فَلَمْ يَحْرِمْنِيْ! وَيَا مَنْ قَلَّ عِنْدَ بَلِيَّتِه صَبْرِيْ! فَلَمْ يَخْذُلْنِيْ! وَيَا مَنْ رَّاٰنِيْ عَلَى الْخَطَايَا فَلَمْ يَفْضَحْنِيْ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনার অতন্দ্র দৃষ্টির দ্বারা আমায় সুরক্ষিত করুন, আপনার অপ্রতিদ্বন্দ্বী মহাশক্তির আশ্রয়ে আমায় গ্রহণ করুন আর আমার উপর আপনার যে ক্ষমতা তার দ্বারা আমাকে দয়া করুন, যেন আমি ধ্বংস না হই। আপনিই আমার প্রত্যাশার স্থল। কত নেয়ামত আমায় দিয়েছেন যার শোকরগোজারি আমার পক্ষ থেকে সর্বদাই ছিল কম! কত বিপদ দ্বারা আমায় পরীক্ষা করেছেন, যাতে আমার সবর ছিল সর্বদাই অল্প।১৮৮ হে (মহান), যাঁর নেয়ামতের শোকরগোজারি কম হওয়া সত্ত্বেও আমাকে তিনি বঞ্চিত করেননি! হে (মহান), যাঁর পরীক্ষায় বে-সবর হওয়া সত্ত্বেও তিনি আমাকে ত্যাগ করেননি! হে (মহান), যিনি আমাকে পাপে লিপ্ত দেখেও লাঞ্ছিত করেননি! (হে মহামহিম! ভবিষ্যতে আমি এমন দয়া ও করুণারই আশাবাদী।)

.

দু‘আ-১৭৮

يَا ذَا الْمَعْرُوْفِ الَّذِيْ لَا يَنْقَضِيْ أَبَدًا! وَيَا ذَا النَّعْمَآءِ الَّتِيْ لَا تُحْصٰىۤ أَبَدًا! أَسْأَلُكَ أَنْ تُصَلِّيَ عَلٰى مُحَمَّدٍ وَّعَلٰۤى اٰلِ مُحَمَّدٍ، وَبِكَ أَدْرَأُ فِيْ نُحُوْرِ الْأَعْدَآءِ وَالْجَبَابِرَةِ.
অর্থঃ

হে দাতা অনিঃশেষ করুণার, অগণিত দানের! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি যে, (হযরত) মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উপর ও তাঁর পরিবারের উপর কামেল রহমত নাযিল করুন। আমি আপনারই শক্তিতে আঘাত হানি শত্রু ও শক্তিমানদের বক্ষে।১৮৯

.

দু‘আ-১৭৯

اَللّٰهُمَّ أَعِنِّيْ عَلٰى دِيْنِيْ بِالدُّنْيَا، وَعَلٰۤى اٰخِرَتِيْ بِالتَّقْوٰى، وَاحْفَظْنِيْ فِيْمَا غِبْتُ عَنْهُ، وَلَا تَكِلْنِيْ اِلٰى نَفْسِيْ فِيْمَا حَضَرْتُهٗ. يَا مَنْ لَّا تَضُرُّهُ الذُّنُوْبُ وَلَا تَنْقُصُهُ الْمَغْفِرَةُ، هَبْ لِيْ مَا لَا يَنْقُصُكَ، وَاغْفِرْلِيْ مَا لَا يَضُرُّكَ، إِنَّكَ أَنْتَ الْوَهَّابُ. أَسْأَلُكَ فَرَجًا قَرِيْبًا وَّصَبْرًا جَمِيْلًا، وَرِزْقًا وَّاسِعًا، وَالْعَافِيَةَ مِنْ جَمِيْعِ الْبَلَآءِ. وَاَسْأَلُكَ تَـمَامَ الْعَافِيَةِ، وَاَسْأَلُكُ دَوَامَ الْعَافِيَةِ، وَاَسْأَلُكَ الشُّكْرَ عَلَى الْعَافِيَةِ، وَاَسْأَلُكَ الْغِنٰى عَنِ النَّاسِ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللهِ الْعَلِّيِّ الْعَظِيْمِ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! দুনিয়াকে আমার দ্বীনের জন্য সহায়ক করুন এবং তাকওয়াকে আমার আখিরাতের জন্য।১৯০ আমার দৃষ্টির অগোচরের সকল বিষয়ে আপনি হোন আমার রক্ষাকর্তা। আর যা কিছু আমার দৃষ্টির সম্মুখে তাতেও আমাকে নিজের উপর অর্পণ কোরেন না। হে ঐ সত্তা, গোনাহ যাঁর কোনোই ক্ষতি করতে পারে না আর ক্ষমা যাঁর কোনো কিছু হ্রাস করে না।১৯১ আমাকে ঐ জিনিস দান করুন, যা আপনার কিছুই হ্রাস করবে না। আমাকে মাফ করে দিন, যা আপনার কোনো ক্ষতি করবে না। আপনিই তো বড় দাতা।১৯২ আমি আপনার কাছে চাই আশু মুক্তি ও সুন্দর ধৈর্য,১৯৩ প্রশস্ত রিযিক ও সকল বিপদ থেকে নিরাপত্তা। আমি আপনার কাছে চাই পূর্ণ নিরাপত্তা, চাই স্থায়ী নিরাপত্তা।১৯৪ আর চাই এই শান্তি ও নিরাপত্তার উপর শোকরগোজারির তাওফীক। আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করি মাখলুকের তরফ থেকে অমুখাপেক্ষিতা। আর সমুচ্চ সুমহান আল্লাহর সাহায্য ছাড়া আমার না আছে (গুনাহ থেকে) বেঁচে থাকার ক্ষমতা, না আছে (নেক আমল) সম্পাদনের শক্তি।

.

দু‘আ-১৮০

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ سَرِيْرَتِيْ خَيْرًا مِّنْ عَلَانِيَتِيْ وَاجْعَلْ عَلَانِيَتِيْ صَالِحَةً. اَللّٰهُمَّ إِنِّۤيْ أَسْأَلُكَ مِنْ صَالِحِ مَا تُؤْتِيْ النَّاسَ مِنَ الْمَالِ وَالْأَهْلِ وَالْوَلَدِ غَيْرَ ضَآلٍّ وَّلَا مُضِلٍّ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমার ভিতরকে করুন বাহির থেকে উত্তম। আর বাহিরকেও করুন সুস্থ-সুন্দর। ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার কাছে ঐ সকল উত্তম বস্তু প্রার্থনা করি, যা আপনি মানুষকে দান করে থাকেন। যেমন- সম্পদ, সন্তান, পরিবার। আর আমি যেন না হই গোমরাহ বা গোমরাহকারী।১৯৫

.

দু‘আ-১৮১

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْنَا مِنْ عِبَادِكَ الْمُنْتَخَبِيْنَ الْغُرِّ الْمُحَجَّلِيْنَ الْوَفْدِ الْمُتَقَبَّلِيْنَ. اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ اَسْأَلُكَ نَفْسًا ۢبِكَ مُطْمَئِنَّةً تُؤْمِنُ بِلِقَآئِكَ، وَتَرْضٰى بِقَضَآئِكَ، وَتَقْنَعُ بِعَطَآئِك.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাদেরকে আপনার নির্বাচিত বান্দাদের মাঝে শামিল করুন, যাদের হাত-পা ও মুখমণ্ডল হবে উজ্জ্বল এবং যারা হবেন বরণীয় মেহমান। ইয়া আল্লাহ! আপনার কাছে চাই এমন হৃদয়, যা আপনার মাধ্যমে নিশ্চিন্ত থাকে, যে আপনার সাথে সাক্ষাতের ইয়াকীন রাখে, যে আপনার ইচ্ছায় রাজি থাকে এবং আপনার দানে সন্তুষ্ট থাকে।১৯৬

.

দু‘আ-১৮২

اَللّٰهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ حَمْدًا دَآئِمًا مَّعَ دَوَامِكَ، وَلَكَ الْحَمْدُ حَمْدًا خَالِدًا مَّعَ خُلُوْدِكَ، وَلَكَ الْحَمْدُ حَمْدًا لَّا مُنْتَهٰى لَهٗ دُوْنَ مَشِيْئَتِكَ، وَلَكَ الْحَمْدُ حَمْدًا لَّا يُرِيْدُ قَآئِلُهٗ إِلَّا رِضَاكَ، وَلَكَ الْحَمْدُ حَمْدًا عِنْدَ كُلِّ طَرْفَةِ عَيْنٍ وَتَنَفُّسِ كُلِّ نَفَسٍ. اَللّٰهُمَّ اَقْبِلْ بِقَلْبِيْ اِلٰى دِيْنِكَ، وَاحْفَظْ مِنْ وَّرَآئِنَا بِرَحْمَتِكَ. اَللّٰهُمَّ ثَبِّتْنِيْ أَنْ أَزِلَّ وَاهْدِنِيْ أَنْ أَضِلَّ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনারই জন্য স্থায়ী প্রশংসা যেমন আপনি স্থায়ী। আপনারই জন্য চিরন্তন প্রশংসা যেমন আপনি চিরন্তন। আপনারই জন্য ঐ গুণগান, যার বিস্তৃতির সীমা নেই আপনার ইচ্ছার আগে। (অর্থাৎ আপনার ইচ্ছার মতোই বিস্তৃত ও অসীম) আপনারই জন্য ঐ গুণগান যে গুণগানকারীর আর কোনো উদ্দেশ্য নেই আপনার সন্তুষ্টি ছাড়া। আপনারই প্রশংসা প্রতি শ্বাসে, প্রতি পলকে। ইয়া আল্লাহ! আমার অন্তরকে আপনার দ্বীনের দিকে ধাবিত করুন এবং নিজ রহমতে আমাদের সর্বদিক থেকে রক্ষা করুন। ইয়া আল্লাহ! আমাকে দৃঢ়পদ রাখুন, যেন পিছলে না যাই। আমাকে হেদায়েত দিন, যেন গোমরাহ না হই।

.

দু‘আ-১৮৩

اَللّٰهُمَّ كَمَا حُلْتَ بَيْنِيْ وَبَيْنَ قَلْبِيْ فَحُلْ بَيْنِيْ وبَيْنَ الشَّيْطَانِ وَعَمَلِه. اَللّٰهُمَّ ارْزُقْنَا مِنْ فَضْلِكَ وَلَا تَحْرِمْنَا رِزْقَكَ، وَبَارِكْ لَنَا فِيْمَا رَزَقْتَنَا، وَاجْعَلْ غِنَانَا فِيْ أَنْفُسِنَا، وَاجْعَلْ رَغْبَتَنَا فِيْمَا عِنْدَكَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! যেভাবে আপনি আমার ও আমার অন্তরের মাঝে পর্দা হয়েছেন, সেভাবেই আমার ও শয়তানের মাঝে, তার কর্মের মাঝে পর্দা হয়ে থাকুন।১৯৭ ইয়া আল্লাহ! আমাদেরকে আপনার অনুগ্রহ দান করুন, আমাদেরকে আপনার রিযিক থেকে বঞ্চিত কোরেন না। আর যে রিযিক আমাদের দান করেছেন, তাতে বরকত দিন। আমাদের অন্তরসমূহকে (মানুষের কাছে যা আছে তা থেকে) অমুখাপেক্ষী করুন আর আপনার কাছে যা আছে সে বিষয়ে লালায়িত করুন।১৯৮

.

দু‘আ-১৮৪

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْنِيْ مِمَّنْ تَـوَكَّلَ عَلَيْكَ فَـكَفَيْتَهٗ، وَاسْتَهْدَاكَ فَهَدَيْتَهٗ، وَاسْتَنْصَرَكَ فَنَصَرْتَهٗ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাকে ঐসব মানুষের মাঝে শামিল করুন, যারা আপনার উপর ভরসা করেছে আর আপনি তাদের জন্য যথেষ্ট হয়েছেন; যারা আপনার কাছে হেদায়েত চেয়েছে আর আপনি তাদের হেদায়েত দিয়েছেন; যারা আপনার সাহায্য প্রার্থনা করেছে আর আপনি তাদের সাহায্য করেছেন।১৯৯

১০.

দু‘আ-১৮৫

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ وَسَاوِسَ قَلْبِيْ خَشْيَتَكَ وَذِكْرَكَ، وَاجْعَلْ هِمَّتِيْ وَهَوَايَ فِيْمَا تُحِبُّ وَتَرْضٰى. اَللّٰهُمَّ وَمَا ابْتَلَيْتَنِيْ بِه مِنْ رَّخَآءٍ وَّشِدَّةٍ فَمَسِّكْنِيْ بِسُنَّةِ الْحَقِّ وَشَرِيْعَةِ الْإِسْلَامِ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমার অন্তরের ওয়াসওয়াসা যেন হয় আপনার ভয় ও স্মরণ।২০০ (অর্থাৎ আপনার প্রতি এমন মগ্নতা নসীব করুন যেন মনে কোনো ওয়াসওয়াসা এলে তাও হয় ভয় ও স্মরণের।) আর আমার আকর্ষণ ও আগ্রহ যেন হয় ঐ বিষয়ের, যাতে আপনি রাজী ও খুশী। ইয়া আল্লাহ! সহজতা ও কাঠিন্য যা দ্বারাই আমাকে পরীক্ষা করুন সর্বাবস্থায় সত্য পথ ও ইসলামী শরীয়তের উপর আমাকে অটল রাখুন।২০১

১১.

দু‘আ-১৮৬

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْئألُكَ تَمَامَ النِّعْمَةِ فِيْ الْأَشْيَآءِ كُلِّهَا، وَالشُّكْرَ لَكَ عَلَيْهَا حَتّٰى تَرْضٰى وَبَعْدَ الرِّضٰى، وَالْخِيَرَةَ فِيْ جَمِيْعِ مَا تَـكُوْنُ فِيْهِ الْخِيَرَةُ، وَلِجَمِيْعِ مَيْسُوْرِ الْأُمُوْرِ كُـلِّهَا لَا بِمَعْسُوْرِهَا يَا كَرِيْمُ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনার কাছে সকল কিছুর পূর্ণ নেয়ামত প্রার্থনা করি এবং আপনি খুশি হওয়া পর্যন্ত ও খুশি হওয়ার পরও শোকরগোজারির তাওফীক প্রার্থনা করি। আর যেসব বিষয়ে বাছাই হতে পারে সেখানে আমার জন্য বাছাই করুন। আর বাছাই করুন২০২ শুধু সহজ-সহজ বিষয়; কঠিন বিষয় নয় হে দয়াময়!

১২.

দু‘আ-১৮৭

اَللّٰهُمَّ فَالِقَ الْإِصْبَاحِ وَجَاعِلَ اللَّيْلِ سَكَنًا وَّالشَّمْسَ وَالْقَمَرَ حُسْبَانًا! قَوِّنِيْ عَلَى الْجِهَادِ فِيْ سَبِيْلِكَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! যিনি প্রভাতের উন্মেষ ঘটান, যিনি রাতকে করেছেন আরামের সময় এবং চন্দ্র-সূর্যকে করেছেন সময়নির্ধারক! আমাকে আপনার রাহে জিহাদের শক্তি দিন।২০৩

১৩.

সংক্ষিপ্ত দরূদ-১

۞ اَللّٰهُـــمَّ صَـــلِّ عَلٰـى مُحَمَّــــدٍ وَّآلِ مُحَمَّدٍ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা সল্লি আ’লা- মুহাম্মাদ ওয়াআলী মুহাম্মাদ।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! দয়া ও রহমত কর হযরত মুহাম্মদ (ﷺ) এর প্রতি এবং তার পরিবারের প্রতি।

১৪.

কবর যিয়ারতের দু‘আ

۞ اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ يَا أَهْلَ الْقُبُورِ، يَغْفِرُ اللهُ لَنَا وَلَكُمْ، أَنْتُمْ سَلَفُنَا، وَنَحْنُ بِالْأَثَرِ
উচ্চারণঃ

আসসালামু ‘আলাইকুম ইয়া আহলাল ক্বুবূরি, ইয়াগফিরুল্লাহু লানা ওয়ালাকুম, আনতুম সালাফুনা ওয়া নাহনু বিল আসার।

অর্থঃ

হে কবরবাসীগণ! আপনাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক। আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে এবং আপনাদেরকে ক্ষমা করে দিন। আপনারা আমাদের পূর্বে গমনকারী। আমরা আপনাদের অনুগামী।

১৫.

দু‘আ-১০১

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْنِيْ مِنَ التَّوَّابِيْنَ، وَاجْعَلْنِيْ مِنَ الْمُتَطَهِّرِيْنَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমাকে শামিল করুন বারবার তাওবাকারীদের মাঝে এবং শামিল করুন উত্তমরূপে পবিত্রতা অর্জনকারীদের মাঝে।

১৬.

দু‘আ-১৭১

اَللّٰهُمَّ اٰنِسْ وَحْشَتِيْ فِيْ قَبْرِيْ. اَللّٰهُمَّ ارْحَمْنِيْ بِالْقُرْاٰنِ الْعَظِيْمِ، وَاجْعَلْهُ لِيْۤ إِمَامًا وَنُوْرًا وَّهُدًى وَّرَحْمَةً. اَللّٰهُمَّ ذَ كِّرْنِيْ مِنْهُ مَا نَسِيْتُ، وَعَلِّمْنِيْ مِنْهُ مَا جَهِلْتُ، وَارْزُقْنِيْ تِلَاوَتَهٗ اٰنَآءَ اللَّيْلِ وَاٰنَآءَ النَّهَارِ، وَاجْعَلْهُ لِيْ حُجَّةً يَّا رَبَّ الْعٰلَمِيْنَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমার কবরে ভীতির পরিবর্তে অন্তরঙ্গতা দিয়েন।১৭১ ইয়া আল্লাহ! কুরআন-আযীমের অসিলায় আমার উপর রহম করুন এবং তাকে আমার জন্য করুন পথপ্রদর্শক ও আলো এবং হেদায়েত ও রহমত। ইয়া আল্লাহ! আমি তার যে অংশ ভুলে গেছি, তা ইয়াদ করিয়ে দিন এবং যা জানি না তা শিখিয়ে দিন। আর দিন-রাতের মুহূর্তগুলোতে তিলাওয়াতের সৌভাগ্য দিন। হে রাব্বুল আলামীন! কুরআনকে করুন আমার পক্ষে দলিল।১৭২

১৭.

দু‘আ-১৭২

اَللّٰهُمَّ أَنَا عَبْدُكَ وَابْنُ عَبْدِكَ وَابْنُ أَمَتِكَ، نَاصِيَتِيْ بِيَدِكَ، أَتَقَلَّبُ فِيْ قَبْضَتِكَ، وَأُصَدِّقُ بِلِقَآئِكَ وَأُوْمِنُ بِوَعْدِكَ، أَمَرْتَنِيْ فَعَصَيْتُ وَنَهَيْتَنِيْ فَأَتَيْتُ، هٰذَا مَكَانُ الْعَآئِذِ بِكَ مِنَ النَّارِ، لَاۤ إِلٰهَ إِلَّاۤ أَنْتَ سُبْحَانَكَ، ظَلَمْتُ نَفْسِيْ فَاغْفِرْلِيْ، إِنَّهٗ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ اِلَّۤا أَنْتَ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার দাস, পুত্র আপনার দাসের, পুত্র আপনার দাসীর। আমার পূর্ণ সত্তা আপনারই কব্জায়।১৭৩ আপনারই কব্জায় আমি চলাফেরা করি। আপনার সাক্ষাতে বিশ্বাস করি আর আপনার প্রতিশ্রুতির উপর দৃঢ় আস্থা রাখি। আপনি আমাকে আদেশ করেছেন; কিন্তু আমি তা অমান্য করেছি। আপনি আমাকে নিষেধ করেছেন; কিন্তু আমি তা লঙ্ঘন করেছি। এখন এই যে আপনার কাছে জাহান্নাম থেকে আশ্রয়প্রার্থীর অবস্থান। আপনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। আপনি পবিত্র। আমি নিজের উপর জুলুম করেছি, আমাকে ক্ষমা করুন। নিশ্চয়ই আপনি ছাড়া কেউ নেই গুনাহ মাফকারী।১৭৪

১৮.

দু‘আ-১৭৩

اَللّٰهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ وَإِلَيْكَ الْمُشْتَكٰى وَبِكَ الْمُسْتَغَاثُ وَأَنْتَ الْمُسْتَعَانُ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللهِ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনারই জন্য সমস্ত প্রশংসা, আপনারই সমীপে সকল অভিযোগ, আপনারই দরবারে সকল ফরিয়াদ আর আপনারই কাছে সাহায্য প্রার্থনা।১৭৫ (গুনাহ থেকে) বাঁচা ও (নেক আমলের) শক্তি একমাত্র আল্লাহরই হাতে।১৭৬

১৯.

দু‘আ-১৭৪

اَللّٰهُمَّ اِنِّيْۤ أَعُوْذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ، وَبِمُعَافَاتِكَ مِنْ عُقُوْبَتِكَ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْكَ لَاۤ أُحْصِيْ ثَنَآءً عَلَيْكَ، أَنْتَ كَمَاۤ أَثْنَيْتَ عَلٰى نَفْسِكَ. اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَعُوْذُ بِكَ مِنْ أَنْ نَزِلَّ أَوْ نُزِّلَ، أَوْ نُضِلَّ أَوْ نَظْلِمَ أَوْ يُظْلَمَ عَلَيْنَا، أَوْ نَجْهَلَ أَوْ يُجْهَلَ عَلَيْنَا، أَوْ أَضِلَّ أَوْ أُضَلَّ، أَعُوْذُ بِنُوْرِ وَجْهِكَ الْكَرِيْمِ الَّذِيْ، أَضَآءَتْ لَهُ السَّمٰوٰتُ، وَأَشْرَقَتْ لَهُ الظُّلُمَاتُ، وَصَلُحَ عَلَيْهِ أَمْرُ الدُّنْيَا وَالْاٰخِرَةِ أَنْ تُحِلَّ عَلَيَّ غَضَبَكَ وَتُنْزِلَ عَلَيَّ سَخَطَكَ، وَلَكَ الْعُتْبٰى حَتّٰى تَرْضٰى، وَ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِكَ. اَللّٰهُمَّ وَاقِيَةً كَوَاقِيَةِ الْوَلِيْدِ. اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ الْأَعْمَيَيْنِ : السَّيْلِ وَالْبَعِيْرِ الصَّؤُوْلِ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আমি আশ্রয় নিচ্ছি আপনার অসন্তুষ্টি থেকে আপনার সন্তুষ্টির, আপনার শাস্তি থেকে আপনার ক্ষমা ও নিরাপত্তার এবং আশ্রয় নিচ্ছি আপনার কাছ থেকে আপনারই কাছে। আমি আপনার গুণ-গান করে শেষ করতে পারব না। আপনি তো ঐ প্রশংসারই উপযুক্ত, যা স্বয়ং নিজের সম্বন্ধে করেছেন।১৭৭ ইয়া আল্লাহ! আমরা আপনার আশ্রয় নিচ্ছি পদস্খলিত হওয়া থেকে বা পদস্খলিত করা থেকে কিংবা কাউকে পথভ্রষ্ট করা থেকে অথবা কারো উপর জুলুম করা থেকে বা কারো জুলুমের শিকার হওয়া থেকে, অজ্ঞতাসুলভ আচরণ থেকে কিংবা অজ্ঞতার শিকার হওয়া থেকে কিংবা গোমরাহ হওয়া থেকে বা কাউকে গোমরাহ করা থেকে। আমি আপনার পবিত্র সত্তার ঐ জ্যোতির আশ্রয় নিচ্ছি, যা আকাশমণ্ডলীকে আলোকিত করেছে এবং যার দ্বারা আঁধারসমূহ ঝলমল করে উঠেছে আর যার দ্বারা দুনিয়া-আখিরাতের সকল বিষয় দুরস্ত হয়েছে।১৭৮ (আশ্রয় নিচ্ছি) যেন আমার উপর আপনার গজব ও নারাজি আপতিত না হয়। আপনিই তোশামোদ পাবার হক্বদার রাজি হওয়া পর্যন্ত। আর (গুনাহ থেকে) সুরক্ষা ও (নেক আমলের) শক্তি শুধু আপনারই সাহায্যে হয়। ইয়া আল্লাহ! আমি শিশুর মতো তত্ত্বাবধান চাই।১৭৯ ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার আশ্রয় নিচ্ছি দুই অন্ধের অনিষ্ট থেকে - (পানির) ঢল ও আক্রমণকারী উট। (আরবে অতর্কিত বিপদ বোঝাবার জন্য এ দুটি বিষয়কে দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়।)১৮০

২০.

দু‘আ-১৮৮

اَللّٰهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ فِيْ بَلَآئِكَ وَصَنِيْعِكَ إِلٰى خَلْقِكَ، وَلَكَ الْحَمْدُ فِيْ بَلَآئِكَ وَصَنِيْعِكَ إِلٰۤى أَهْلِ بُيُوْتِنَا، وَلَكَ الْحَمْدُ فِيْ بَلَآئِكَ وَصَنِيْعِكَ إِلٰۤى أَنْفُسِنَا خَآصَّةً، وَلَكَ الْحَمْدُ بِمَا هَدَيْتَنَا، وَلَكَ الْحَمْدُ بِمَاۤ أَكْرَمْتَنَا، وَلَكَ الْحَمْدُ بِمَا سَتَرْتَنَا، وَلَكَ الْحَمْدُ بِالْقُرْاٰن، وَلَكَ الْحَمْدُ بِالْأَهْلِ وَالْمَالِ، وَلَكَ الْحَمْدُ بِالْمُعَافَاةِ وَلَكَ الْحَمْدُ حَتّٰى تَرْضٰى، وَلَكَ الْحَمْدُ إِذَا رَضِيْتَ يَاۤ أَهْلَ التَّقْوٰى وَ أَهْلَ الْمَغْفِرَةِ.
অর্থঃ

ইয়া আল্লাহ! আপনারই প্রশংসা আপনার পরীক্ষা ও আপন সৃষ্টির প্রতি আপনার আচরণে, আপনারই প্রশংসা আপনার পরীক্ষা ও আমাদের ঘরওয়ালাদের প্রতি আপনার আচরণে,২০৪ আপনারই প্রশংসা আপনার পরীক্ষা ও বিশেষভাবে আমাদের প্রাণের বিষয়ে আপনার আচরণে, আপনারই প্রশংসা আমাদের হেদায়েত দেয়ার কারণে, আপনারই প্রশংসা আমাদের সম্মান দেয়ার কারণে, আপনারই প্রশংসা আমাদের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখার কারণে, আপনারই প্রশংসা কুরআনের কারণে, আপনারই প্রশংসা পরিবার ও সম্পদের কারণে,২০৫ আপনারই প্রশংসা ক্ষমার কারণে, আপনারই প্রশংসা আপনি খুশি হওয়া পর্যন্ত, আপনারই প্রশংসা যখন আপনি খুশি হন। হে ঐ সত্তা, যিনি উপযুক্ত ভয় পাওয়ার এবং হে ঐ সত্তা, যিনি একমাত্র ক্ষমাকারী।২০৬