আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৮৬০৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, ٱلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ ٱللَّٰهِ وَبَرَكَاتُهُ
আমাদের অনেক ভাই নিম্নোক্ত হাদীসের অংশ বিশেষ উল্লেখ করে বলেন যে আগে ইমান শিখতে হবে তারপর কুরআন শিখতে হবে। ইহাই নাকি সাহাবিদের তরতিব। এই কথা কি সঠিক? দয়া করে হাদীসের সঠিক ব্যাখ্যা জানিয়ে বাধিত করবেন।

হাদীস-
জুনদুব ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিলাম। আমরা ছিলাম শক্তিশালী এবং সক্ষম যুবক। আমরা কুরআন শেখার পূর্বে ঈমান শিখেছি, অতঃপর কুরআন শিখেছি এবং তার দ্বারা আমাদের ঈমান বেড়ে যায়। (ইবনে মাজাহ-৬১)
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী মোহাম্মদ আমীর হোসাইন, মুফতি ও মুহাদ্দীস, শাইখ আবু সাঈদ ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার,মোহাম্মাদপুর!
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
ঢাকা
২৯ বার পড়া হয়েছে
৮৪৯৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম কবরের ছাওয়ালের সংক্রান্ত যে প্রশ্নটা আমি করেছিলাম তার উত্তর দিয়েছেন তার জন্য জাযাকাল্লাহু খায়রান উত্তরটি ইউটিউব সেকশনে পোস্ট করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি কারণ এই ওয়াজ গুলো শুনে উনারা বিভ্রান্তিতে পড়ছেন আপনার এই ইনশাআল্লাহ
আজকের প্রশ্ন
আমার মূলত হাশরের ময়দান সংক্রান্ত সূরা ওয়াকিয়া থেকে জানতে পারা যায় কেয়ামতের মাঠে মানুষদের তিন দলে বিভক্ত করা হবে 1 অগ্রবর্তী দল 2 ডান দিকের 3 বাম দিকের দল 'বাম দিকে থাকবে কাফের মুশরিক ডান দিকে থাকবে মুমিনরা ’আমি জানতে চাচ্ছি গুনাহগার মুসলমানদের কোন কাতারে রাখা হবে?
আমল নামা ডান হাত অথবা বাম হাতে কখন রাখা হবে ?
বিচার এবং মিজানের ওজনের পরে কি আমলনামা হাতে দেওয়া হবে ?
ভালো মুসলমান ফাসেক সবারই কি ডান হাতে আমলনামা থাকবে ?
হাউজে কাউসারের পানি কি শাফাআতে করার পর পর সকল মুসলিমদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে মোনাফেক বাদে! নাকি পুলসিরাত পার হবার পর নাকি মিজান ওজনের পড়ে সঠিক জিনিসটা জানার জন্য মনটা আকুল হয়ে আছে !
বারাকাল্লাহ লানা ওয়ালাকুম' আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহমাসালা "জানলে মুসলিম উম্মাহর প্রভূত উপকার হবে
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুসলিম বাংলা ইফতা বিভাগ
৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
খুলনা
৫২ বার পড়া হয়েছে
২৪০৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

মুসলমানেরই এ কথা জানা যে, বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম কুরআন মজীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়াত। যার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা অপরিহার্য। এবং হাদীসের আলোকে আমরা এও জানি যে, কোনো গুরুত্বপূর্ণ ও মহৎ কাজ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম ব্যতীত অপূর্ণ ও বরকতশূন্য। এখন আমার জানার বিষয় হল, এমন অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় বিষয় ও কাজ আছে, যার গুরুত্ব ও প্রয়োজন সাময়িক। যথা-দাওয়াতনামা, পোস্টার, ব্যানার ইত্যাদি। নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর এসবের কোনো গুরুত্ব থাকে না বিধায় তা যেখানে সেখানে পড়ে থাকে। এমনকি অনেক সময় পদপিষ্টও হয়। অতএব এসব ক্ষেত্রে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম আরবী ভাষায় বা বাংলা উচ্চারণে লেখা যাবে কি?

খ) যেসব ক্ষেত্রে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম লেখার বিধান রয়েছে সেসব ক্ষেত্রে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম-এর পরিবর্তে ৭৮৬ অথবা বিসমিহী তাআলা লিখলে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম-এর সওয়াব অর্জিত হবে কি না? এ ব্যাপারে কুরআন-হাদীসের আলোকে, ফুকাহায়ে কেরাম ও মুফতী সাহেবদের অভিমত প্রমাণাদিসহ জানালে কুরআন মজীদের মর্যাদা রক্ষায় সচেতন হব এবং বিশেষভাবে উপকৃত হব।


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৫ আগস্ট, ২০২১
২৫ বার পড়া হয়েছে