আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১১২৭০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম।
এই হাদিসের ব্যাখ্যা, সাহাবীদের আমল, সালাফদের মতামত সহ লাগবে। তাহকীক লাগবে।
একটু ইমপর্টেন্ট

আমর ইবনু শুআইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে থেকে বর্ণিতঃ:
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একা ভ্রমণকারী এক শাইতান, দুইজন ভ্রমণকারী দুই শাইতান এবং তিনজন ভ্রমণকারী একটি জামা’আত।
হাসান, সহীহা (৬৪), মিশকাত (৩৯১০), সহীহ্‌ আবূ দাঊদ (২৩৪৬)
ফুটনোটঃ
ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্‌ বলেছেন। আমরা এ হাদীসটি শুধু উল্লেখিত সূত্রেই আসিমের রিওয়ায়াত হিসাবে জেনেছি। আসিমের বাবা মুহাম্মাদ, দাদা যাইদ, পরদাদা আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)। ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন, আসিম নির্ভরযোগ্য ও সত্যবাদী। আর আসিম ইবনু উমার আল-উমারী হাদীস শাস্ত্রে দুর্বল। আমি তার সূত্রে কোন হাদীস বর্ণনা করি না। আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটি হাসান।
জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ১৬৭৪
হাদিসের মান: হাসান হাদিস
Source: আল হাদিস অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ, IRD
জাযাকাল্লাহ খাইরান
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুসলিম বাংলা ইফতা বিভাগ
১৩ ডিসেম্বর, ২০২১
ফেনী
৮৪৩৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আবু সোলায়মান দারানী বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে কোন প্রার্থনা করতে চায়, তার উচিত, প্রথম দরূদ পাঠ করা এবং দরূদ দ্বারা দোয়া শেষ করা কেননা, আল্লাহ উভয় দরূদ কবুল করেন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যখন তোমরা আল্লাহর নিকট চাও তখন আমার প্রতি দরূদ পাঠ কর। আল্লাহর শান এরূপ নয় যে, কেউ তার কাছে দুইটি জিনিস চাইলে একটি পূর্ণ করবেন এবং অপরটি করবেন না।

সূরা এখলাছ তিনবার পাঠ করে আল্লাহ্’র দরবারে দোয়া করলে আল্লাহ্ নেক আশা পূর্ন করেন।

যে ব্যক্তি দৈনিক এশার নামাজ পর এই পাক নামটি ইয়া জাহিরু ১০০বার পাঠ করে তার মনের সকল নেক বাসনা পূর্ণ হয়।সূত্র:প্রতিদিনের আমলের কিতাব ।

এই হাদিস কি সহিহ?
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুসলিম বাংলা ইফতা বিভাগ
৩১ আগস্ট, ২০২১
Dhaka
৮১৯৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, তিনি যদি রাসূল হয়ে থাকেন ,তাহলে এমন কাজ কিভাবে করেন।

তিনি পর্বতের চূড়া থেকে নিচে পড়ে যাবার জন্য একাধিকবার দ্রুত সেখানে চলে গেছেন। যখনই নিজেকে ফেলে দেয়ার জন্য পর্বতের চূড়ায় পৌঁছতেন, তখনই জিবরীল (আঃ) তাঁর সামনে আত্মপ্রকাশ করে বলতেন, হে মুহাম্মাদ! নিঃসন্দেহে আপনি আল্লাহর রাসূল। এতে তাঁর অস্থিরতা দূর হত এবং নিজ মনে শান্তিবোধ করতেন। তাই সেখান থেকে ফিরে আসতেন। ওয়াহী বন্ধ অবস্থা যখন তাঁর উপর দীর্ঘ হত তখনই তিনি ঐরূপ উদ্দেশে দ্রুত চলে যেতেন। যখনই তিনি পর্বতের চূড়ায় পৌঁছতেন, তখনই জিবরীল (আঃ) তাঁর সামনে আত্মপ্রকাশ করে আগের মত বলতেন। [৩]
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, فَالِقُ الإِصْبَاحِ অর্থ দিনের বেলায় সূর্যের আলো ও রাতের বেলায় চাঁদের আলো।

সহীহ বুখারী (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫১১)
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
২৫ আগস্ট, ২০২১
ঢাকা ১২০৯