আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৮৭২৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম শায়েখ,আশা করি আল্লাহ্ পাকের অশেষ রহমতে ভালো আছেন? শায়েখ আমি হাস্পাতালে কর্মরত একজন অ্যাসিস্ট্যাণ্ট মেডিকেল অফিসার।আমার ডিউটি ১২ ঘন্টা।তাই আমার যখন ডে ডিউটি পরে আমি যোহর,আসর,মাগরিব এবং এশা এর নামায গুলা পাই। তো এতে এমন হয় যে,আমি নামায পড়ে দোয়া,জিকির আজকর এছাঁড়াও আমল কিছু করতে আমার ভালোই সময় ব্যায় হয়।এতে করে আমাকে প্রশ্নের সম্মুক্ষীন হতে হয়,আমার ইমিডিয়েট মেডিকেল অফিসার আমাকে লজিক দেয় এমন যে,আমার জব আমার ফার্স্ট প্রায়রিটি।দোয়া,জিকির এর থেকে জব টা আগে,তবে আল্লাহ্ এর কসম খেয়ে বলছি,আমি ডিউটি ফাঁকি দেওয়ার জন্য দোয়া পড়িনা।যাই হোক,শায়েখ আমার প্রশ্ন আমার আসলে কি করা উচিৎ,যে কাজ এ আমার আল্লাহ্ খুশী হবেন???
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী মোহাম্মদ আমীর হোসাইন, মুফতি ও মুহাদ্দীস,
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
ফেনী
৮৪৩৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আবু সোলায়মান দারানী বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে কোন প্রার্থনা করতে চায়, তার উচিত, প্রথম দরূদ পাঠ করা এবং দরূদ দ্বারা দোয়া শেষ করা কেননা, আল্লাহ উভয় দরূদ কবুল করেন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যখন তোমরা আল্লাহর নিকট চাও তখন আমার প্রতি দরূদ পাঠ কর। আল্লাহর শান এরূপ নয় যে, কেউ তার কাছে দুইটি জিনিস চাইলে একটি পূর্ণ করবেন এবং অপরটি করবেন না।

সূরা এখলাছ তিনবার পাঠ করে আল্লাহ্’র দরবারে দোয়া করলে আল্লাহ্ নেক আশা পূর্ন করেন।

যে ব্যক্তি দৈনিক এশার নামাজ পর এই পাক নামটি ইয়া জাহিরু ১০০বার পাঠ করে তার মনের সকল নেক বাসনা পূর্ণ হয়।সূত্র:প্রতিদিনের আমলের কিতাব ।

এই হাদিস কি সহিহ?
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুসলিম বাংলা ইফতা বিভাগ
৩১ আগস্ট, ২০২১
Dhaka
৭৯৮০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, মুহতারাম,
আসসালামু আলাইকুম।
ভালোবাসা নিবেন।
আমার প্রশ্ন হলো, একটি হাদিস শুনতে পেরেছি যে, নবীজি সাঃ একদিন অসুস্থ হয়ে যাবার পর সাহাবীদের ডেকে জিজ্ঞেস করলেন তোমরা কি আমার কাছে কোনো টাকা পয়সা পাও? বা আমি কি তোমাদের কখনো কোনো কষ্ট দিয়েছি? তখন এক সাহাবী বলেছিলেন আমি আপনার কাছে ৩ দিরহাম পাই, তখন নবীজি বললেন আমায় স্বরণ করিয়ে দাও সেটা কিভাবে নিয়ে ছিলাম?
তখন তিনি বললেন একদিন এক ভিক্ষুক এসে নবীজির কাছে ভিক্ষা চাইলেন তখন তার কাছে কোনো টাকা না থাকায় উক্ত সাহাবীর কাছ থেকে তিনি ধার করেছিলেন।
আরেকজন সাহাবী বললেন হে নবীজি আপনি আমায় আপনার ছরি ধারা আঘাত করেছিলেন। নবীজি কিভাবে জানতে চাইলে সাহাবী উত্তর দিলেন, একদিন এক যুদ্ধে নবীজি ঘোড়া বা উটের উপর বসা ছিলেন তখন তিনি হাতের চাবুক ঘোড়ায় ব্যবহার করতেই সাহাবীর গায়ে লেগে যায়, আর এর প্রতিশোধ স্বরুপ নবীজিকে আঘাত করতে চাইলেন, সাহাবীর উদ্দেশ্য ছিলো নবীজির খতমে নবুয়তের মোহর দেখা।
এই হাদীসটা কতটুকু সত্য?
দয়া করে কিতাবের রেফারেন্স সহ জানালে খুবই উপকৃত হতাম।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুসলিম বাংলা ইফতা বিভাগ
১৫ আগস্ট, ২০২১
Jhaugara