দু’আ

মোট দু’আ - ৬৩৯ টি

সকল দু'আ একত্রে দেখুন

১.

মনের চাহিদা মুতাবিক অবস্থা হলে পড়বে

۞ اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِيْ بِنِعْمَتِهٖ تَتِمُّ الصَّالِحَاتُ
উচ্চারণঃ

আলহামদুলিল্লা হিল্লাযী বিনিইমাতিহী তাতিম্মুস সালিহাত।

অর্থঃ

সকল প্রশংসা আল্লাহ পাকের জন্য, যার নেয়ামতের বদৌলতে সর্বপ্রকার পূণ্যময় কাজ সমাধা ও সম্পন্ন হয়।

২.

রুকুর দু‘আ

۞ سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيْمْ
উচ্চারণঃ

সুবহানা রাব্বিয়াল আযীম।

অর্থঃ

মহাপবিত্র আমার প্রতিপালক যিনি মহান

৩.

সংক্ষিপ্ত দরূদ-২

۞ صَلَّى اللهُ (تَعَالٰى) عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
উচ্চারণঃ

সাল্লাল্লাহু (তা‘আলা) আলাইহি ওয়াসাল্লাম

অর্থঃ

“আল্লাহ্‌ (তাআ’লা) তাঁর (মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের) প্রতি রহমত বর্ষণ করুন এবং তাঁকে শান্তি দান করুন।”

৪.

জাহান্নাম থেকে পরিত্রাণের দু‘আ

۞  رَبَّـنَـا اصْرِفْ عَنَّا عَذَابَ جَهَنَّمَ إِنَّ عَذَابَهَا كَانَ غَرَامًا إنَّهَا سَآءَتْ مُسْتَقَرًّ وَّمُقَاماً
উচ্চারণঃ

রাব্বানাসরিফ ‘আন্না আযাবা জাহান্নামা, ইন্না আযাবাহা কানা গারামা, ইন্নাহা সাআত মুস্তাক্বার্‌রাও ওয়া মুকামা।

অর্থঃ

হে আমাদের রব! আমাদের থেকে জাহান্নামের শাস্তি হটিয়ে দাও। নিশ্চয় এর শাস্তি নিশ্চিত বিনাশ। বসবাস ও আবাসস্থল হিসেবে তা কত নিকৃষ্ট জায়গা

৫.

ইস্তিগফার

۞  أَسْتَغْفِرُ اللهَ
উচ্চারণঃ

আস্তাগ্‌ফিরুল্লাহ

অর্থঃ

আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

৬.

খাবার সামনে এলে পড়বে

۞  اَللّٰهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيْمَا رَزَقْتَنَا وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফী মা রযাক্বতানা ওয়াক্বিনা আযাবান্নার।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকে যে রিয্‌ক দান করেছেন তাতে বরকত দান করুন, এবং আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন।

৭.

খানা খাওয়ার সময় পড়বে

۞  اَللّٰهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيْهِ وَأَطْعِمْنَا خَيْرًا مِّنْهُ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফীহি ওয়া আত‘ইমনা খাইরাম-মিনহু।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকে এই খাদ্যে বরকত দিন এবং এর চেয়েও উত্তম খাদ্য আহার করান।

৮.

খানার শুরুতে বিসমিল্লাহ্‌ ভুলে গেলে বলবে

۞  بِسْمِ اللهِ أَوَّلَهٗ وَآخِرَهٗ
উচ্চারণঃ

বিসমিল্লাহি আউওয়ালাহু ওয়াআখিরাহু।

অর্থঃ

আল্লাহর নামে খাবার শুরু করছি। খাবারের প্রারম্বে ও সমাপ্তিতে।

৯.

পানি পান করার পর পড়বে

۞  اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِيْ سَقَانَا مَاءً عَذْبًا فُرَاتًا بِرَحْمَتِه، وَلَمْ يَجْعَلْهُ مِلْحًا أُجَاجًا بِذُنُوْبِنَا
উচ্চারণঃ

আলহাম্‌দু লিল্লাহিল্লাজি ছাকানা আজবান ফুরতান বিরহমাতিহ্‌ ওয়ালাম ইয়াজ্‌ আ’লহু মিলহান উজাজান বিযুনুবিনা।

অর্থঃ

সকল প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার জন্যে, যিনি আমাদেরকে স্বীয় রহমতে সুস্বাদু, সুমিষ্ট পানি পান করিয়েছেন এবং আমাদের গুনাহের কারণে তা তিক্ত ও লবণাক্ত করেননি।

১০.

মৌসুমের নতুন ফল খাওয়ার দু‘আ

۞ اَللّٰهُمَّ بَارِكْ لَنَا فيْ ثَمَرِنَا. وَبَارِكْ لَنَا فِيْ مَدِيْنَتِنَا. وَبَارِكْ لَنَا فِيْ صَاعِنَا. وَبَارِكْ لَنَا فِيْ مُدِّنَا
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফী সামারিনা ওয়া বারিক লানা ফী মাদীনাতিনা ওয়া বারিক লানা ফী সা ‘ইনা ওয়া বারিক লানা ফী মুদ্দি না।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি আমাদের ফল-ফলাদিতে বরকত দিন, আমাদের শহরে বরকত দিন, আমাদের সা’ তথা বড় পরিমাপক যন্ত্রে বরকত দিন, আমাদের মুদ্দ তথা ছোট পরিমাপক যন্ত্রে বরকত দিন।

১১.

কারো মেহমানদারী গ্রহণ করলে মেজবানকে শুনিয়ে এই দু‘আ পড়বে-৩

۞ أَكَلَ طَعَامَكُمُ الْأَبْرَارُ، وَصَلَّتْ عَلَيْكُمُ الْمَلَائِكَةُ، وَأَفْطَرَ عِنْدَكُمُ الصَّائِمُوْنَ
উচ্চারণঃ

আকালা ত্বয়ামাকুমুল আবরর, ওয়াছল্লাত আলাইকুমুল মালায়িকাহ্, ওয়া আফ্ত্বরা ইন্দাকুমুছ ছ’য়িমুন।

অর্থঃ

যেন নেককার লোকেরা তোমাদের খানা খায় এবং ফেরেশ্তাগণ যেন তোমাদের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনার দু‘আ করে এবং রোযাদারগণ যেন তোমাদের বাড়িতে ইফতার করে।

১২.

দস্তরখানা উঠানোর সময় এই দু‘আ পড়বে

۞ اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ حَمْدًا كَثِيْرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيْهِ غَيْرَ مَكْفِىٍّ وَلَا مُوَدَّعٍ وَلَا مُسْتَغْنًى عَنْهُ رَبَّنَا
উচ্চারণঃ

আলহামদুলিল্লাহি হামদান কাছিরান ত্বাইয়্যিবান মুবা-রাকান ফিহি গায়রা মাকফিয়্যিন ওয়ালা মুওয়াদ্দাইন ওয়ালা মুস্তাগনান আনহু রাব্বানা।

অর্থঃ

সকল প্রশংসা আল্লাহ তা‘আলার জন্যে। অনেক অনেক প্রশংসা এবং পবিত্র ও বরকতপূর্ণ প্রশংসা। হে প্রভু! এ খানাকে না যথেষ্ট মনে করা যেতে পারে (যে আর প্রয়োজন হবে না), আর না একে সম্পূর্ণ বিদায় দেয়া যেতে পারে (যে আর তার সাক্ষাতের প্রয়োজন হবে না), না এ হতে অমুখাপেক্ষী হওয়া যায়।

১৩.

ঘুমানোর পূর্বে পড়ার দু‘আ-৩

۞ اَللّٰهُمَّ اَسْلَمْتُ وَجْهِيْ اِلَيْكَ وَفَوَّضْتُ اَمْرِيْ اِلَيْكَ وَاَلْجَاْ تُ ظَهْرِيْ اِلَيْكَ رَغْبَةً وَرَهْبَةً اِلَيْكَ لَا مَلْجَأَ وَلَا مَنْجَأَ مِنْكَ اِلَّا اِلَيْكَ، اَللّٰهُمَّ اٰمَنْتُ بِكِتَابِكَ الَّذِيْ اَ نْزَلْتَ وَبِنَبِيِّكَ الَّذِيْ اَرْسَلْتَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা আসলামতু ওয়াজ হী ইলাইকা ওয়া ফাউ ওয়াযতু আমরী ইলাইকা ওয়াআলজা’তু যাহ্রী ইলাইকা রাগবাতান ওয়া রাহবাতান ইলাইকা। লা মালজা’আ ওয়ালা মান্জা মিনকা ইল্লা ইলাইকা। আল্লাহুম্মা আ-মানতু বিকিতা-বিকাল্লাযী আনযালতা ওয়াবিনাবিয়্যিকাল্লাযী আরসালতা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আমার চেহারা (আত্মাকে) আপনার নিকট সোপর্দ করলাম এবং আমার সকল কর্ম আপনার উপর সোপর্দ করলাম এবং আমি আমার পৃষ্ঠ আপনার নিকট অর্পণ করলাম আপনার রহমতের প্রত্যাশায় এবং আপনার আযাবের ভয়ে। আর আপনার রহমতের আশ্রয় ও পানাহ ছাড়া অন্য কোন আশ্রয়স্থল নাই। হে আল্লাহ! আপনার অবতীর্ণ কিতাবের উপর ঈমান আনলাম এবং আপনার প্রেরিত নবী (ﷺ) এর উপর ঈমান আনলাম।

১৪.

ঘুম না এলে এই দু‘আ পড়বে-১

۞ اَللّٰهُمَّ رَبَّ السَّمَوَاتِ السَّبْعِ وَمَا اَظَلَّتْ وَرَبَّ الْاَرَضِيْنَ وَمَا اَقَلَّتْ وَرَبَّ الشَّيَاطِيْنَ وَمَا اَضَلَّتْ كُنْ لِّيْ جَارًا مِّنْ شَرِّ خَلْقِكَ كُلِّهِمْ جَمِيْعًا اَنْ يَفْرُطَ عَلَيَّ اَحَدٌ مِّنْهُمْ اَوْ اَنْ يَّبْغِيَ عَزَّ جَارُكَ وَجَلَّ ثَنَاؤُكَ لَاۤ اِلٰهَ غَيْرُكَ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اَنْتَ
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা রব্বাস সামাওয়াতিস সাব‘ই ওয়ামা আযাল্লাত ওয়া রব্বাল আরাযীনা ওয়ামা আক্বাললাত ওয়া রব্বাশ শায়া ত্বীনি ওয়ামা আযাল্লাত কুন লী জারান মিন শাররি খলক্বিকা কুল্লিহিম জামী‘আন আন ইয়াফরুত্বা ‘আলাইয়্যা আহাদুন মিনহুম আউ আন ইয়াবগিয়া ‘আযযা জা রুকা ওয়া জাল্লা সানা উকা ওয়ালা ইলাহা গইরুকা লা ইলাহা ইল্লা আনতা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আপনি সপ্ত আকাশের প্রতিপালক এবং ঐ সকল বস্তুর প্রতিপালক, যার উপর সপ্তম আকাশ বিস্তার করে আছে এবং যিনি সমগ্র জমিনের প্রতিপালক এবং ঐ সকল বস্তুর প্রতিপালক যা সমগ্র জমিন বহন করে আছে এবং যিনি শয়তান ও ঐ লোকদের প্রতিপালক যাদেরকে শয়তান গোমরা করেছে। হে প্রতিপালক আল্লাহ! আপনি সমগ্র মাখলূকের অনিষ্ট হতে আমার রক্ষাকারী এবং আশ্রয়দাতা হয়ে যান। যাতে এ সকল মাখলূকের মধ্য হতে কোন মাখলূক আমার উপর অত্যাচার-অবিচার করতে না পারে। নিশ্চয়ই একমাত্র আপনার আশ্রিত ব্যক্তিই প্রভাবশালী, নিরাপদ এবং একমাত্র আপনার প্রশংসাই অতি মহান। আপনি ছাড়া অপর কোন মা‘বুদ নেই। একমাত্র আপনি ইবাদতের যোগ্য।

১৫.

ঘুম না এলে এই দু‘আ পড়বে-২

۞ لٓا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ الْوَاحِدُ الْقَهَّارُ رَبُّ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا الْعَزِيْزُ الْغَفَّارُ
উচ্চারণঃ

লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হুল ওয়াহিদুল কাহহার, রাব্বুস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরযি ওয়ামা বায়নাহুমাল আযীযুল গাফফা-র।

অর্থঃ

আল্লাহ ব্যতীত কোন সত্য উপাস্য নেই। যিনি একক, প্রবল প্রতাপান্বিত। আকাশমন্ডলী, পৃথিবী এবং উভয়ের মধ্যবর্তী সকল বস্তুর প্রতিপালক। যিনি পরাক্রমশলী, ক্ষমাশীল।

১৬.

রাতের বেলায় কুকুরের ডাক শুনলে পড়বে

۞ أَعُوْذُ بِا للہِ অথবা أَعُوْذُ بِا للہِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ
উচ্চারণঃ

আ’ঊযু বিল্লাহ অথবা আ’ঊযু বিল্লা-হি মিনাশ শায়ত্বা-নির রজীম।

অর্থঃ

আমি আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি বিতাড়িত শয়তান থেকে।

১৭.

ঘুম থেকে উঠে এই দু‘আ পড়বে-১

۞ اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِيْ اَحْيَانَا بَعْدَ مَا اَمَاتَنَا وَ اِلَيْهِ النُّشُوْرُ
উচ্চারণঃ

আলহামদু লিল্লা হিল্লাযী আহ ইয়ানা বা‘দা মা আমাতানা ওয়া ইলাইহিন নুশূর।

অর্থঃ

সকল প্রশংসা আল্লাহ তা‘আলার, যিনি আমাদের মৃত্যু দানের পর পুনরায় জীবন দান করেছেন এবং মৃত্যুর পর তাঁরই নিকট আমাদের প্রত্যাবর্তন করতে হবে।

১৮.

সালামের উত্তরে বলবে

۞ وَعَلَيْكُمُ السَّلَامُ وَ رَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهٗ
উচ্চারণঃ

ওয়া আলাইকুমুস্‌ সালাম ওয়া রাহ্‌মাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।

অর্থঃ

এবং আপনার উপরেও শান্তি ও আল্লাহ পাকের রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক।

১৯.

আল্লাহর অনুগ্রহ প্রার্থনার দু‘আ

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَسْأَ لُكَ مِنْ فَضْلِكَ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা মিন ফাদলিকা।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি আপনার অনুগ্রহ প্রার্থনা করছি।

২০.

দু‘আ-২০৪

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ أَنْ أُشْرِكَ بِكَ شَيْئًا وَّأَنَاۤ أَعْلَمُ، وَأَسْتَغْفِرُكَ لِمَا لَاۤ أَعْلَمُ بِه، وَأَعُوْذُ بِكَ أَنْ يَّدْعُوَ عَلَيَّ رَحِمٌ قَطَعْتُهَا. اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَنْ يَّمْشِيْ عَلٰى بَطْنِه، وَمِنْ شَرِّ مَنْ يَّمْشِيُ عَلٰى رِجْلَيْنِ، وَمِنْ شَرِّ مَنْ يَّمْشِيُ عَلٰۤى أَرْبَعٍ. اَللّٰهُمَّ إِنِّۤيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ اِمْرَأَةٍ تُشَيِّبُنِيْ قَبْلَ الْمَشِيْبِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ وَّلَدٍ يَّـكُوْنُ عَلَىَّ وَبَالًا، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ مَالٍ يَّـكُوْنُ عَلَيَّ عَذَابًا. اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الشَّكِّ فِي الْحَقِّ بَعْدَ الْيَقِيْنِ، وَ اَعُوْذُ بِكَ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ، وَ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ يَوْمِ الدِّيْنِ. اَللّٰهُمَّ إِنِّيْۤ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ مَّوْتِ الْفُجَآءَةِ وَمِنْ لَّدْغِ الْحَيَّةِ وَمِنَ السَّبُعِ وَمِنَ الْغَرَقِ وَمِنَ الْحَرَقِ، وَمِنْ أَنْ أَخِرَّ عَلٰى شَيْءٍ وَّمِنَ الْقَتْلِ عِنْدَ فِرَارِ الزَّحْفِ.
উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আ'ঊযু বিকা মিন আন উশরিকা বিকা শাইয়াওঁ ওয়া আনা আ'লামু, ওয়া আস্তাগফিরুকা লিমা- লা- আ'লামু বিহ্। ওয়া আ'ঊযু বিকা আইঁ ইয়াদ'উয়া 'আলাইয়্যা রহিমুন ক্বত্ব'তুহা-। আল্লাহুম্মা ইন্নী আ'ঊযু বিকা মিন শার্রি মাইঁ ইয়াম্শী 'আলা- বাত্বনিহ্, ওয়া মিন শার্রি মাইঁ ইয়াম্শী 'আলা- রিজলাইন, ওয়া মিন শার্রি মাইঁ ইয়াম্শী 'আলা- আরবা'। আল্লাহুম্মা ইন্নী আ'ঊযু বিকা মিনিমরআতিন তুশাইয়্যিবুনী ক্ববলাল মাশীব, ওয়া আ'ঊযু বিকা মিওঁ ওয়ালাদীয়ঁ ইয়াকূনু 'আলাইয়্যা ওবা-লা-, ওয়া আ'ঊযু বিকা মিঁম্মা-লীয়ঁ ইয়াকূনু 'আলাইয়্যা 'আযা-বা-। আল্লাহুম্মা ইন্নী আ'ঊযু বিকা মিনাশ্শাক্কি ফিল হাক্বক্বি বা'দাল ইয়াক্বীন, ওয়া আ'ঊযু বিকা মিনাশ শাইত্ব-নির রজীম, ওয়া আ'ঊযু বিকা মিন শার্রি ইয়াওমিদ্দীন। আল্লাহুম্মা ইন্নী আ'ঊযু বিকা মিন মাওতিল ফুজা-আতি ওয়া মিঁল্লাদগিল হাইয়্যাতি ওয়া মিনাস সাবু'ই ওয়া মিনাল গরক্বি ওয়া মিনাল হারক্বি, ওয়া মিন আন আখির্রা 'আলা- শাইয়িওঁ ওয়া মিনাল ক্বতলি 'ইন্দা ফিরা-রিয যাহ্ফ।

অর্থঃ

হে আল্লাহ! আমি জেনে-বুঝে আপনার সাথে কোনো কিছুকে শরীক করা থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি, আর যে শিরক আমার অজান্তে হয়ে যায় তা থেকে আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আর আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি এমন কোনো আত্মীয়ের অভিশাপ বা বদদোয়া থেকে যার সাথে আমি সম্পর্ক ছিন্ন করেছি। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি বুকে ভর দিয়ে চলা প্রাণীর (সাপ বা সরীসৃপ) অনিষ্ট থেকে, দু’পেয়ে প্রাণীর (মানুষ) অনিষ্ট থেকে এবং চারপায়ে চলা প্রাণীর (হিংস্র পশু বা চতুষ্পদ জন্তু) অনিষ্ট থেকে। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে এমন স্ত্রী থেকে আশ্রয় চাচ্ছি, যে আমাকে বার্ধক্যে পৌঁছানোর আগেই (অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা দিয়ে) বুড়ো বানিয়ে দেবে, আশ্রয় চাচ্ছি এমন সন্তান থেকে যে আমার জন্য বিপদের কারণ হবে এবং আশ্রয় চাচ্ছি এমন ধন-সম্পদ থেকে যা আমার জন্য আযাবের কারণ হবে। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে সত্যের ওপর সুদৃঢ় বিশ্বাস (ইয়াকীন) অর্জনের পর আবার সংশয়ে পতিত হওয়া থেকে আশ্রয় চাচ্ছি, বিতাড়িত শয়তান থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি এবং বিচার দিবসের ভয়ংকর অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে হঠাৎ মৃত্যু, সাপের দংশন, হিংস্র পশুর আক্রমণ, পানিতে ডুবে মরা এবং আগুনে পুড়ে মরা থেকে আশ্রয় চাচ্ছি। আর ওপর থেকে পড়ে মারা যাওয়া এবং জিহাদের ময়দান থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় নিহত হওয়া থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি।