শিক্ষককে দিয়ে বাড়তি কাজ করানোর হুকুম
প্রশ্নঃ ১৭৩২২৫. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, মাদ্রাসার চাকরিতে ঢোকার পরে মাহতামিম সাহেব সাধারণ শিক্ষক দিয়ে দিনের র খেদমতের নামে যে কোন কাজ করাইতে পারবে কিনা
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
চাকরি একটি চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব। চুক্তিতে যা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, প্রচলিত নিয়মে যা চাকরির দায়িত্বের মধ্যে পড়ে এবং যে কাজ প্রতিষ্ঠানের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ও ন্যায়সংগত, তা পালন করা শিক্ষকের দায়িত্ব।
অন্যদিকে, শিক্ষকতার দায়িত্বের সঙ্গে সম্পর্কহীন ব্যক্তিগত কাজ, অযৌক্তিক শ্রম কিংবা নিয়োগের শর্তের বাইরে কোনো কাজ জোরপূর্বক চাপিয়ে দেওয়া শরিয়তসম্মত নয়।
সুতরাং মুহতামিম সাহেব মাদরাসার প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে শিক্ষকদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করতে পারবেন।
এসব কাজ যদি নিয়োগের শর্ত, প্রতিষ্ঠানের নিয়ম ও শিক্ষকের পদের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তাহলে তা পালন করা শিক্ষকের দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত।
কিন্তু সাধারণ শিক্ষককে ব্যক্তিগত খাদেমের মতো ব্যবহার করা, মুহতামিম সাহেবের ব্যক্তিগত বাজার-সদাই করানো, ব্যক্তিগত বাসার কাজ করানো কিংবা শিক্ষকতার সঙ্গে সম্পর্কহীন কোনো কাজ জোরপূর্বক চাপিয়ে দেওয়া সাধারণভাবে তার নিয়োগের অধিকারের অন্তর্ভুক্ত নয়।
এটা জায়েজ ও হবে না।
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন:
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَوْفُوا بِالْعُقُودِ
অর্থ: হে মুমিনগণ! তোমরা চুক্তিসমূহ পূর্ণ করো। সূরা আল-মায়িদা, আয়াত ১
وفى المجلة ( م 422 ) :
هو الذي ليس بمقيد بشرط أن لا يعمل لغير المستأجر كالحمال ، والدلال ، والخياط ، والساعاتي ، والصائغ ، وأصحاب عربات الكراء ، وأصحاب الزوارق الذين هم يكارون في الشوارع والمواني ، فإن كلا من هؤلاء أجير مشترك لا يختص بشخص واحد ، وله أن يعمل لكل أحد ، لكنه لو استؤجر أحد هؤلاء على أن يعمل للمستأجر إلى وقت معين يكون أجيرا خاصا في مدة ذلك الوقت . وكذلك لو استؤجر حمال ، أو ذو عربة ، أو ذو زورق . إلى محل معين بشرط أن يكون مخصوصا بالمستأجر ، وأن لا يعمل لغيره ، فإنه أجير خاص إلى أن يصل إلى ذلك المحل .
پس وہ تمام کام جو اس منصب کے مناسب ہیں سب انجام دینا ہوں گے۔ منصب کے خلاف کوئی کام کرنا لازم نہیں۔ مثلا معلم سے پہراداری، یا محرر سے خدمت گاری
ইতরে হেদায়া, পৃষ্ঠা ২৩৫,
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
মুফতী ও মুহাদ্দিস, জামিআ মুহাম্মাদিয়া আরাবিয়া, মোহাম্মদপুর
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন